ঈদে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজার!!

মিজানুর রহমান মিজান , টেকনাফ।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার পূর্ব দক্ষিনে সারি সারি পাহাড়ে সবুজের সমারুহ আর বে অব বেঙ্গলের সিমাহীন জ্বলরাশি,ঢেউয়ের আনাগুনা যেন কবিতার ছন্দে গাথুনীমালা।অন্তরচক্ষু আর কল্পনায় মনে হয় কিসের এক মর্মস্পর্শী আহ্বান ডাক দিয়ে যায় সারাক্ষণ সারাবেলা।প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকদের কাছে মনে হয় স্বর্গীয় অনুভূতি।তাই দেশর বিভিন্ন প্রান্তর থেকে ছুটে আসে নানান শ্রেণী পেশার মানুষ।সৈকতে দাড়িয়ে বাধভাঙ্গা ঢেউয়ের গর্জনে ভূলে যেতে চাই দঃখ,হারিয়ে যায় অজানা অদৃশ্যে কোন সুখের ঠিকানায়।ঈদের ছুটিতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের বরণ করতে প্রস্তুত সমুদ্রশহর কক্সবাজারের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউজ। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী ঈদ পরবর্তী এক সপ্তাহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় পর্যটক আগমন নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

টানা এক মাসের রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার পর্যটক শূন্য থাকলেও ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নামে এই সৈকতে। এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস ও কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকড হয়ে গেছে বলে দাবি হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস ও কটেজ মালিকদের। আর ব্যবসায়ীরাও নতুন সাজে সাজিয়েছেন তাদের প্রতিষ্ঠান

লেখকঃ- মিজানুর রহমান মিজান।
পরিকল্পনাঃ- শাহ্ মুহাম্মদ রুবেল।