ঈদ সামনে রেখে সরগরম টেকনাফের টেইলার্সগুলোঃ দর্জি কারিগরদের নির্ঘুম কর্মব্যস্ততা!!

 

মোঃ আলমগীর,উপদেষ্টা সম্পাদক,ডেইলি টেকনাফ ডটকমঃ-আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠেছে দক্ষিণ কক্সবাজারের টেকনাফ বাণিজ্যিক উপ-শহরখ্যাত টেকনাফ পৌরসভার বিভিন্ন মার্কেটের টেইলার্সগুলো। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের পছন্দের পোশাক ডেলিভারী দিতে নির্ঘুম কর্মব্যস্ততার মধ্য দিয়ে সময় পার করছেন দর্জি কারিগরেরা। ঈদের দিন অধিকাংশ ছেলেরা পাঞ্জাবি-পাজামা পড়েন। তাই টেইলার্সগুলোতে ছেলেদের ভীড় বেশি দেখা গেছে। দোকান থেকে পছন্দের থান কাপড় কিনে পাঞ্জাবি-পাজামা সেলাই করতে দিচ্ছেন। অনেকে রেডিমেড কেনা পাঞ্জাবি-শার্টে আলাদা কাপড়ের গলা ও হাত লাগাচ্ছেন। অনেকে আবার এমব্রয়ডারির কাজ করছেন।

সরেজমিনে সোমবার (২০ মে) রাতে মার্কেটগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে পাঞ্জাবি-শার্টের পিস ও থানকাপড় গজ হিসেবে কিনছেন মানুষ। এরপর পছন্দের ডিজাইনে সেলাই করার জন্য টেইলার্সগুলোতে দর্জি কারিগরদের কাছে গায়ের মাপ দিচ্ছেন। ছেলেরা পাঞ্জাবি, পাজামা, শার্ট, প্যান্ট আর মেয়েরা থ্রিপিস, সালোয়ার, কামিজের অর্ডার দিচ্ছেন। টেকনাফ পৌরসভার মরহুম এজাহার মিয়া কুম্পানি মার্কেট, মদিনা সিটি শপিং সেন্টার, আল মক্কা ভাই ভাই শপিং সেন্টার, টেকনাফ নিউ মার্কেট, ফরিদ শপিং মার্কেটের বিভিন্ন দর্জি দোকান ঘুরে দেখা গেছে, কাটার মাষ্টার কাপড়ের মাপ নিয়ে সাইজ অনুযায়ী কেঁটে-ছেঁটে সেলাই করার জন্য দর্জি কারিগরদের সামনে স্তুপ করে দিচ্ছেন। দর্জি কারিগরেরা একমন-একধ্যানে সেলাই করে যাচ্ছেন। দম ফেলার সময় নেই করারোরই। সেলাই মেশিনের শব্দে দর্জি কারিগরদের সাথে কথা বলাও দায় হয়ে পড়েছে।

আল মক্কা ভাই ভাই শপিং সেন্টার মুন্নী টেইলার্সের মোঃ মনির উদ্দিন বলেন, “বছরের এই সময়টাতে আমাদের বাড়তি কাজের চাপ থাকে। ছয় জন কারিগর পালাক্রমে দিনের চব্বিশ ঘন্টাই কাজ করেন। পঁচিশ রোজার পর কাজের চাপ থাকবে আরো বেশি। বিশ রোজার পর অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দেবো।” তার দোকানে প্যান্ট চার’শ টাকা, পাঞ্জাবি তিন’শ টাকা, থ্রিপিস নরমাল দুই’শ টাকা, ডাবল পাঁচ’শ-আট’শ টাকা মজুরী নেন বলে জানান তিনি।

ফরিদ শপিং মার্কেটের ছাত্র বন্ধু টেইলার্স গিয়ে দেখা গেছে,আট-নয়জন ঘেমে-নেয়ে কাপড় সেলাই করছেন দর্জি কারিগরেরা। কথা হয় টেইলার্সটির কাটার মাষ্টার আনোয়ার এর সাথে।

তিনি বলেন, “তিন জন কারিগর কাজ করছে। সময়মত অর্ডার ডেলিভারী দেয়ার জন্য দিন-রাত সমানতালে কাজ করতে হচ্ছে।”

মরহুম এজাহার মিয়া কুম্পানি মার্কেটের নিশান টেইলার্স এন্ড ফেব্রিক্স লেডিস এন্ড জেন্স আউট ফিটার্স সত্বাধিকারী মোহাম্মদ আমিন বলেন, “আমার প্রতিষ্ঠানে সাত জন কারিগর আছে, এছাড়া মার্কেটের দুই-চারটি টেইলার্সের প্রতিটিতে গড়ে চার-ছয় জন করে দর্জি কারিগর আছেন। রমজান মাসে অনেকে অর্ডার নিয়ে সামলে উঠতে না পারার দরুন অনেক ক্রেতাকে ফেরৎ দিতে হচ্ছে। অতিরিক্ত কর্মচারী রেখেও কাজের চাপ সামলানো কঠিন হচ্ছে।”

Please follow and like us:
error0

এই বিভাগের অন্যান্য খবরঃ

রাজধানীর কাঁঠালবাগানে এফ হক টাওয়ারে আগুন!নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে ১০ইউনিট
মনোনয়ন পেতে টেকনাফ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগের ২৪ জন প্রার্থীঃ
অনলাইন প্রতারক সিলেটের জাহাঙ্গীর আলী(৩২)সিআইডি কর্তৃক গ্রেফতার !
আগামীকাল ১৫ আগস্ট জাতীয় শোকদিবস
মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’- শাহীন বদি এমপি
এবারের ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মিয়ানমার থেকে আসছে গরু
আজ পবীত্র শবে বরাত!!
টেকনাফ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃনমূলে মিজবাহার ইউছুপ এগিয়ে!
কক্সবাজার শেভরণ ল্যাবরেটরী বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত : সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা
টেকনাফ উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান নুরুল আলমের শপথ অনু্ষ্ঠান সম্পন্ন!!
সারাদেশের তাপমাত্রা কমেছে,বৃষ্টি হতে পারে প্রচুর!
আগামীকাল২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস