1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
অতিরিক্ত ত্রাণের টাকায় স্বাবলম্বী রোহিঙ্গারা : প্রত্যাবাসনে ফিরতে অনীহা ! - ডেইলি টেকনাফ
শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০১:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে সাবেক এমপি বদি’র শোক! প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শোক কক্সবাজারে কাউন্সিলর কাজি মোরশেদ আহমদ বাবুর মৃত‍্যুতে নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শোক প্রকাশ ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না কক্সবাজারসহ টেকনাফের লবণ চাষীরা টেকনাফে সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত অমর একুশের ভাষা শহীদদের প্রতি নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রতি হিংসা নয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উঠে আসুক তৃণমূলের অবহেলিত নতুন নেতৃত্ব: শাওন আরমান টেকনাফে বিজিবির মালিকবিহীন ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফে সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন টেকনাফ পৌরসভায় মূলধন বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রস্তুতি কর্মশালা সভা অনুষ্ঠিত

অতিরিক্ত ত্রাণের টাকায় স্বাবলম্বী রোহিঙ্গারা : প্রত্যাবাসনে ফিরতে অনীহা !

  • আপডেট টাইম সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৯

আলোকিত টেকনাফ ডেস্ক ::

রোহিঙ্গাদের ত্রান সামগ্রী এখন টেকনাফ, উখিয়া, কক্সজার, চকরিয়া পেরিয়ে চট্টগ্রাম শহরের অলিগলি সয়লাভ করেছে। হাত বাড়ালেই নিত্য দিন পাওয়া যাচ্ছে এসব পণ্য সামগ্রী। অভিযোগ রয়েছে এক শ্রেনীর এনজিও কর্ম কর্মকর্তাদের যোগসাজসে অবৈধ ভাবে কার্ড তৈরীকরে এসব পন্য সামগ্রী খোলা বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে। অতিরিক্ত রেশন সহায়তা যেনো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিফল হওয়ার মূল অন্তরায় বলে দাবী সচেতন মহলের।

বিগত ২০০৭ সালের ২৫ আগষ্টের দিকে মিয়ানমার থেকে বাস্তচ্যুত হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের শুরু থেকে ত্রাণ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা। এসব সংস্থা গুলো মধ্যে এসিএফ, ওআইএম, ইউএনএসসিআর সহ বেশ কয়েকটি সংস্থা রোহিঙ্গাদের রেশন থেকে শুরু করে তৈজসপত্র সহ সব কিছু সর্বরাহ করে যাচ্ছে। প্র‍য়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত পণ্য সর্বরাহ করার ফলে তারা প্র‍য়োজন মিটিয়ে উদ্ধৃত পণ্য সামগ্রী শিবিরের অভ্যান্তরে গড়ে উঠা বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে। রোহিঙ্গাশিবির গুলোতে ছোট-বড় ১০ হাজারের অধিক দোকান রয়েছে। এসবের মালিক শিবিরের রোহিঙ্গারা। স্থানীয় ও বহিরাগত লোকজনই এসবের ক্রেতা।

এবিষয়ে রোহিঙ্গা ত্রান ও প্রত্যাবাসন (আরআরআরসি) আবুল কালামের কাছে জানতে চাওয়া হলে, বিকেল চারটার পরে শিবিরে দায়িত্বশীদের অনুপস্থিতির সুযোগে হয়তো এসব পণ্য সামগ্রী বহিরাগত ব্যবসায়ীরা কিনে নিয়ে যাচ্ছে। বিকেল চারটার পরে বহিরাগতদের ক্যাম্পে প্রবেশের নিষেধ থাকা সত্ত্বে কিভাবে প্রবেশ করছে তার জবাবে কোন উত্তর দিতে পারেননি তিনি। আবার এটাও দাবী করেন যে পৃথিবীর সব শরনার্থী শিবিরে বিতরনকৃত ত্রান সামগ্রীর একটা অংশ বাহিরে খোলা বাজারে বিক্রি হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে আমাদের করার কিছু নেই। তবে তাদের অতিরিক্ত ত্রান বিতরন হচ্ছেকিনা প্রশ্নের জবাবে, অতিরিক্ত বিতরনের কোন সুযোগ নেই তবে অনেকে সাশ্রয়ী করে বিক্রি করে পারে, এভাবে বিক্রি করলে সেটা প্রশাসন দেখার বিষয়।

খোলা বাজারে বিক্রেতাদেরসাথে সাথে কথা বলে জানা গেছে, এসব পণ্যসামগ্রী কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং, জামতলী, টেকনাফের শালবন রোহিঙ্গা শিবিরে গড়ে উঠা বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়। প্রতি বস্তা পণ্য ক্যাম্পের বাহিরে আনতে সেখানে দায়িত্বরত আইনশৃংখলা বাহিনীকে ১শ টাকা করে দিতে হয়। আবার চট্টগ্রাম পৌছানো পর্যন্ত হাইওয়ে পুলিশকে গাড়ী প্রতি পয়েন্টে পয়েন্টে ৫শ টাকা করে দিতে হয়।

অনুসন্ধানে জানাগেছে, অতিরিক্ত পণ্য সামগ্রী বিতরন ও বাহিরে বিক্রির পেচনে সংশ্লিষ্ট এনজিও সংস্থার যোগসাজস রয়েছে। গেলোমাসে অসদুপায়ে রেশন কার্ড তৈরী করে শিবিরে খাদ্য বিতরনকারী সংস্থা “এসিএফ” কর্তৃক রেশন সামগ্রী বাহিরে বিক্রি করার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন গনমাধ্যমে। দেখা গেছে, এসব পণ্য বেচাকেনার জন্য রোহিঙ্গা শিবিরে গড়ে উঠেছে রোহিঙ্গা বাজার নামে কয়েক’শ হাট এবং মিয়ানমার রাখাইন স্টেটের বলিবাজার নামের একটি হাটের নামকরণ ও করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, নগরীর নতুনব্রীজ, কালামিয়া বাজার, জিইসি, আন্দরকিল্লা, মুরাদপুর, চকবাজার, দুইনাম্বার গেইট, কদমতলী, বহদ্দার হাট, নিউ মার্কেট এলাকা, আগ্রাবাদ, বড়পুল, বন্দরটিলাসহ বিভিন্ন এলাকায় অলিতে গলিতে ভ্যানগাড়ীতে করে আন্তর্জাতিক কয়েকটি সংস্থার সীলযুক্ত বিভিন্ন পন্যের পরসা সাজিয়ে বিক্রি করতে দেখা যায়। এসব পণ্য বিক্রেতারা জানান, এগুলো রোহিঙ্গা পণ্য নামেই পরিচিত।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ত্রানের পণ্য বিক্রির টাকা নিয়ে ১১ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার সবাই অর্থনৈতিকভাবে কমবেশি এখন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে গেছে। এসব পণ্য বিক্রির টাকায় তারা পাসপোর্ট তৈরী করে ইতোমধ্যে অনেকে বিদেশ পাড়ি জমিয়েছে। আবার অনেকে স্থানীয় ভাবে পাহাড়ী জমিজমা ক্র‍য় করছে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে এসব টাকার একটি অংশ চলে যাচ্ছে তাদের ‘কওমী ফান্ড’ নামক একটি ফান্ডে। যা দিয়ে তারা নিজেদের জরুরী প্র‍য়োজন ও শক্তিবৃদ্ধির কাজে ব্যয় করছে। এদিকে অতিরিক্ত পণ্য বিতরন রোহিঙ্গাদের অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বি করার কৌশল বলে ধারনা করছেন সুশীল মহল। অর অর্থ নৈতিক ভাবে স্বাবলম্বি হওয়ার কারনে তারা আর স্বদেশে ফিরতে চাইছেনা এমনটি অভিমত স্থানীয় রোহিঙ্গা বিশ্লেষকদের।

আপনার মন্তব্য দিন

সুত্র::আলোকিত টেকনাফ

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..