1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
অসহায় মানবের মাঝে'ও দানব | ইমাউল হক পিপিএম - ডেইলি টেকনাফ
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবরাং ইউ,পি ছাত্রলীগের সাঃসম্পাদক নজরুল ইসলামের খোলা চিঠি টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা,আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের প্রতিবাদ ও নিন্দা টেকনাফ উপজেলা আ.লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব এজাহার মিয়ার নববর্ষের শুভেচ্ছা সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালামের নতুন বছরের শুভেচ্ছা অসুস্থ ছেনোয়ারার চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা দান করলেন টেকনাফ পৌর মেয়র হাজ্বী মোহাম্মদ ইসলাম ঈদগাঁওতে সাংবাদিককে মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে দুই বাংলা অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের মানববন্ধন টেকনাফ পৌরসভায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সাড়ে ৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প পরিদর্শন করেন শেখ মুজাক্কা জাহের বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে ২লাখ ৭০হাজার ইয়াবাসহ ট্রলার জব্দ সাবরাং ইউনিয়ন কৃষকলীগের ১-৯ ওয়ার্ডের কমিটি অনুমোদন সভা সম্পন্ন টেকনাফে র‍্যাবের গুলিতে রোহিঙ্গা মাদক কারবারীর প্রাণহানি

অসহায় মানবের মাঝে’ও দানব | ইমাউল হক পিপিএম

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২০

ধন, জন, নাম-ধাম বাবুয়ানা, বাড়ি-গাড়ি টাকা পয়সা, স্বর্ণালংকার, বিত্ত বৈভব, প্রভাব-প্রতিপত্তি, শান- শওকত, জমিদারি সবই যাদের একসময় ছিল। মানে খুব ভালোভাবেই ছিল। এক সময় নেতৃত্ব ছিল।

রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি ছিল। বিরাশি সালের কাছাকাছি সময়ে সেটি বাতিল হয়ে যায়। শুরু হয় হারানোর পালা। পেয়ে হারানোর যন্ত্রণা কি তা তারাই বুঝে যাদের চলে যায়। একটি দেশের নাগরিকত্ব বা নাগরিকের স্বীকৃতি যে কি জিনিস যার নেই সেই বোঝে। যার রাষ্ট্র নেই তার সমাজ নেই, তার জাতিসত্তা দুর্ভেদ্য ,তার সঙ্গ একেবারেই একাকিত্ব, তার চিন্তা চেতনা একেবারেই অংশগ্রহণমূলক হয় না,ধ্যানধারণা ব্যক্তি পার হয়ে সমষ্টি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে না। আমরা দেশের মধ্যে যেমন বলি অমক বিভাগ, অমক জেলায় বাড়ি ঠিকানা বলে দেই। এ বলার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় শিকড় যে কত শক্ত তা প্রকাশ পেয়ে যায়।

কিন্তু মায়ানমার বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকগণ আশ্রয়হীন সহায় সম্বলহীন এদেশে এসেছে। মায়ানমারে যারা ঐশ্বর্য আর প্রাচুর্যের মধ্যে জীবন কাটাতো। তারাও আশ্রিত বাংলাদেশ।
সবাই UN এর বিভিন্ন সংস্থার রিলিফ পেয়ে থাকে।
নিজেদের ব্যক্তিগত কোনো ইনকাম নেই বা থাকার কথা নয়। এই অসহায়দের রিলিফের টাকা ত্রানের
টাকা রোহিঙ্গাদের মধ্যে একশ্রেণীর অপরাধী চাঁদাবাজির মত নিয়ে নেয়। অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে। নিজের কথা না শুনলে খুন পর্যন্ত করে। পাহাড়ের চূড়ায় যেয়ে আত্মগোপন করে এ সকল অপরাধীরা থাকে। নিজে শরণার্থী হয়ে অন্য শরণার্থীর এই ক্ষতি গুলো করে থাকে। তাহলে সেই শরনার্থীদের দেশে ফেরার সম্ভাবনা কতটুকু থাকবে। দেশে ফেরার প্রত্যয় ও একতাই বা কোথায় থাকবে। অসহায় আশ্রিত শরণার্থীদের মধ্যেই এজন্য মানবে র দানব হয়ে ওঠা। বিশ্বের অন্য কোন দেশে থাকা শরণার্থীদের মধ্যে এরকম ঘটনা খুব কম।

বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে দুর্গম পাহাড় এলাকায়। অসমতল ভূমি এবং বন জঙ্গলের কাছে আশ্রয় নিয়েছিল তারা। পাহাড়ের গায়ে পিঠে পাদদেশে ,চূড়ায় অবস্থান করছে একটি তাঁবুর মধ্যে। বিভিন্ন ক্যানাল এবং বিভিন্ন পাহাড় বা খালের আড়ালে এই অপরাধ গুলি করে থাকে। সবচেয়ে বড় কথা নিজ দেশের একটি বাহিনী কর্তৃক নির্যাতিত হয়ে যারা একই ভেলায় চলে এসেছে একই জায়গায়। যারা একই রিলিফের অনুদান পেয়ে জীবন যাপন করে।

সেই তারাই গুটিকয়েক ব্যক্তি অসহায় মানব হতে দানব সৃষ্টি হয়েছে।দানবের মত নিজের মত আরেকজন শরণার্থীর কাঙালের ধন চুরির মত আহারের টাকাও ছিনিয়ে নিচ্ছে। নিজেদের মধ্যে কতটুকু সচেতনতা ও মনুষত্ববোধ না থাকলে তারা এ ধরনের অপরাধ ঘটায়। এ ধরনের জাতি বা সমষ্টি গোষ্ঠী নিজ দেশে ফিরে গিয়ে কিভাবে অধিকার আদায় করবে সেটি নিয়ে তাদের আচরণে সংশয় দেখা দিয়েছে। তাদেরকে অপরাধ মনোবৃত্তি থেকে সরে এসে নিজ দেশ মায়ানমার ফিরে যাওয়ার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

পাঠিয়েছেন…..

ইমাউল হক পিপিএম।কক্সবাজার।

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..