1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
আদালতের রায় বাংলায় লিখতে বিচারকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান। - ডেইলি টেকনাফ
মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কক্সবাজারে কাউন্সিলর কাজি মোরশেদ আহমদ বাবুর মৃত‍্যুতে নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শোক প্রকাশ ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না কক্সবাজারসহ টেকনাফের লবণ চাষীরা টেকনাফে সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত অমর একুশের ভাষা শহীদদের প্রতি নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রতি হিংসা নয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উঠে আসুক তৃণমূলের অবহেলিত নতুন নেতৃত্ব: শাওন আরমান টেকনাফে বিজিবির মালিকবিহীন ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফে সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন টেকনাফ পৌরসভায় মূলধন বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রস্তুতি কর্মশালা সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজার রামু হাইওয়ে পুলিশের হাতে বাংলা মদসহ আটক ১,সিএনজি জব্দ টেকনাফে সুচনা হলো বহুল প্রতিক্ষীত কোভিড১৯ এর প্রতিষেধক টিকাদান কার্যক্রম

আদালতের রায় বাংলায় লিখতে বিচারকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান।

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

  • অনলাইন ডেস্কঃ
    আদালতের রায় বাংলায় এবং সহজ ভাষায় লিখতে বিচারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
    তিনি বলেন, ‘আমি বলবো আদালতের রায়টা যদি কেউ ইংরেজিতেও লিখতে চায়, লিখতে পারেন। কিন্তু, একটা শর্ত থাকবে, এটা বাংলা ভাষাতেও প্রকাশ করতে হবে। যিনি রায় পাবেন, তিনি যেন পড়ে জানতে পারেন, সহজে বুঝতে পারেন।

আর ইংরেজিও রোমান স্টাইলে না লিখে একটু সহজ ইংরেজিতে লেখা, অন্তত যে ভাষাটা সবাই বুঝতে পারেন, সে ভাষা লেখা উচিত। আর বাংলায় রায় লিখে ইংরেজিতে ভাষান্তর করে দিতে পারেন।’

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অমর একুশে শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি মনে করি আমাদের যারা আদালতে আছেন, তারা যদি মাতৃভাষায় লেখার অভ্যাসটা করেন, সেটা অন্তত স্বল্পশিক্ষিত যারা তাদের জন্য সুবিধা হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আর ইংরেজি যে রায়টা দেওয়া হয়, সেই রায়ে কি বললো তা জানতে নির্ভর করতে হয় আইনজীবীর ওপর। তিনি (আইনজীবী) যা বুঝিয়ে দেবেন, সেটাই বুঝতে হবে, নিজে পড়ে জানার কোনও সুযোগ থাকে না। অনেক সময়ই তাদের হয়রানির শিকার হতে হয়। অথবা তাদের অন্যভাবে ব্যবহারও করা হয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে এখন না হয় আমরা শিক্ষার হার বাড়িয়েছি। কিন্তু, ৯৬ সালে যখন সরকার গঠন করি, তখন অক্ষর জ্ঞানসম্পন্নই ছিল মাত্র ৪৫ ভাগ। অধিকাংশ মানুষ বাংলা ভাষাতেও লেখাপড়া জানতো না।’

মাতৃভাষা ভালোভাবে শেখা ও চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মাতৃভাষায় শিক্ষা, মাতৃভাষা জানা, এটা অপরিহার্য। আজকে বিশ্ব- গ্লোবাল ভিলেজ। আমাদের ভাষাগতভাবে যোগাযোগটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পৃথিবীর সব দেশে কিন্তু নিজের ভাষা শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে একটা দ্বিতীয় ভাষা শিক্ষা নেয়। কাজেই দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে অন্য ভাষা শিক্ষার সুযোগ কিন্তু আমাদের দেশে আছে। ইতোমধ্য ৯টি ভাষা দিয়ে একটি অ্যাপস তৈরি করে দিয়েছি আমরা। এখন বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইংরেজি একটা মাধ্যম হয়ে গেছে সারা বিশ্বে। কাজেই আমাদের দেশে এটা দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে শিখতে পারে। বাংলা ভাষা, মাতৃভাষা, যে ভাষার জন্য আমরা জীবন দিয়েছি, সেই ভাষাটাও সবাই যাতে ভালোভাবে শেখে সেই ব্যবস্থাটাও করা একান্তভাবে প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।’

শুদ্ধ বাংলা ভাষা চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে একেক অঞ্চলে একেক ধরনের কথা বলি। এতে কোনও সন্দেহ নেই। আমরা অফিসিয়াল একটা ভাষা ব্যবহার করি। যে ভাষাটা প্রমিত বাংলা, ইতোমধ্যে আমাদের বাংলা একাডেমি প্রকাশ করেছে। সেজন্য বাংলা একাডেমিকেও ধন্যবাদ জানাই। তবে, আমরা যারা আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করি, সেটাকে একেবারে বাদ দেওয়া ঠিক না। বাদ দিলে আমাদের নিজেদের অস্তিত্বই থাকে না।’
একুশের চেতনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একুশ আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই একুশের আন্দোলন থেকে শুরু করে আমরা একটা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি।’

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..