1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
উখিয়ায় দেড় লাখ রোহিঙ্গার জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট নির্মাণ। - ডেইলি টেকনাফ
বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কক্সবাজারে ৫৩৫ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন মাদক ধ্বংস করছে বিজিবি ঈদগাঁও থানা উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের পরিচিতি ও জরুরি সভা অনুষ্ঠিত শক্তিশালী রামুকে হারিয়ে ইতিহাসের প্রথমবার ফাইনালে টেকনাফ টেকনাফ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে মোঃ আলমগীরকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবরাং ইউ,পি ছাত্রলীগের সাঃসম্পাদক নজরুল ইসলামের খোলা চিঠি টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা,আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের প্রতিবাদ ও নিন্দা টেকনাফ উপজেলা আ.লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব এজাহার মিয়ার নববর্ষের শুভেচ্ছা সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালামের নতুন বছরের শুভেচ্ছা অসুস্থ ছেনোয়ারার চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা দান করলেন টেকনাফ পৌর মেয়র হাজ্বী মোহাম্মদ ইসলাম

উখিয়ায় দেড় লাখ রোহিঙ্গার জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট নির্মাণ।

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০১৯

বিশেষ সংবাদ দাতাঃ

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরকার ও মমওঅন্যান্য সংস্থার জন্য বরাবরের মতোই একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। বিষয়টিকে মাথায় রেখে ইউএনএইচসিআরের সহযোগিতায় বেসরকারি সংস্থা অক্সফাম একটি সুরক্ষিত পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট নির্মাণ করেছে। প্রথমবারের মত নির্মিত এই প্ল্যান্টটি পৃথিবীর যে কোনো শরণার্থী শিবিরের মধ্যে সর্ববৃহৎ বলে দাবি সংস্থাটির।

অক্সফাম সূত্রে জানা গেছে, উখিয়ার কুতুপালংস্থ ক্যাম্প ৪ (বর্ধিত) এলাকায় বিশাল জায়গার উপর এই প্ল্যান্টটি নির্মাণ করা হয়েছে।

ক্যাম্প-৩, ক্যাম্প-৪ ও ক্যাম্প-৪ (বর্ধিত) এলাকায় বসবাসরত রোহিঙ্গাদের পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা হবে এই প্ল্যান্টটিতে। প্রতিদিন ৪০ ঘণমিটার বর্জ্য হিসেবে সর্বোচ্চ দেড় লাখ মানুষের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা যাবে এই প্ল্যান্টেটিতে। অনবরত ২০ বছর প্ল্যান্টটি ব্যবহার করা যাবে।

অক্সফামের মিডিয়া ও কমিউনিকেশন্স কো-অর্ডিনেটর এ জে এম জোবায়দুর রহমানের সোয়েব জানিয়েছেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরে স্থাপিত প্ল্যান্টটি আজ (২৯ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ এনামুর রহমান।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ কামাল, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবসন কমিশনার মো. আবুল কালাম, বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের প্রধান স্টিভেন কর্লিসের।

পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জোবায়দুর রহমান সোয়েব জানান, পয়ঃবর্জ্যগুলো সংগ্রহ করার জন্য বিশেষায়িত ট্রাক আছে। সেই ট্রাকে পাম্প ও ট্যাঙ্ক রয়েছে। ট্রাক নিয়ে ক্যাম্পের বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে পয়ঃবর্জ্যগুলো সংগ্রহ করা হবে। পরে প্ল্যান্টের লেগুনের মধ্যে বর্জ্যগুলো ফেলা হবে। পয়ঃবর্জ্যের দুটি ধরণ রয়েছে। একটি শক্ত ও অপরটি লিকুইড। শক্ত শ্রেণির পয়ঃবর্জ্য থাকে ৩০ শতাংশ। আর লিকুইড শ্রেণির পয়ঃবর্জ্য থাকে ৭০ শতাংশ।

প্ল্যান্টের লেগুনে ফেলার পর এই দুটি শ্রেণির বর্জ্য আলাদা করা হবে। এরমধ্যে শক্ত শ্রেণির বর্জ্যগুলোকে প্রাকৃতিকভাবে এক ধরনের ফিল্টার করা হয়। শক্ত শ্রেণির বর্জ্য থেকে উৎপাদিত হবে বায়ু গ্যাস ও জৈব সার। আর লিকুইড শ্রেণির বর্জ্য কয়েক স্তরে পরিশোধিত হবে। পরিশোধিত করে যত ধরনের ক্ষতিকারক জীবানু আছে সেগুলো ধ্বংস করা হবে। এরপর সেগুলো পানি আকারে হয়ে বের হয়ে যাবে।

তিনি আরও জানান, এই একটি মাত্র প্ল্যান্টে সবার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব নয়। আরও কয়েকটি প্ল্যান্ট দরকার। তবে সরকারের উচিত একটি গবেষণা চালানো। গবেষণার মাধ্যমে প্রতিটি ক্যাম্পভিত্তিক কি পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হয় তার পরিসংখ্যান বের করা যাবে। এই পরিসংখ্যানের উপর ভিত্তি করে পুরো ক্যাম্পে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কতটা প্ল্যান্ট দরকার তার হিসাব পাওয়া যাবে।

পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতা দীপক শর্মা দীপু বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থাপিত টয়লেটগুলো স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এসব টয়লেটের দুর্গন্ধে পুরো ক্যাম্প বিষিয়ে উঠে। উখিয়া-টেকনাফে মারাত্মক বায়ু দূষণ হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে রোহিঙ্গাদের সৃষ্ট বর্জ্যগুলো আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। বৃষ্টির পানিতে সেগুলো নদী-খাল, বিল ও সমুদ্রে পতিত হয়। এর ফলে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় হচ্ছে। এই সমস্যা থেকে উত্তোরণের উপায় বের করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, অক্সফামের উদ্যোগটি ভাল। কিন্তু শুধু দেড় লাখ নয় সকল রোহিঙ্গাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য যতটি প্ল্যান্ট দরকার সেগুলো স্থাপন করে দূষণ রোধ করতে হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সিনিয়র কেমিস্ট মো. কামরুল হাসান বলেন, পুরো ক্যাম্পের মানবসৃষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা দরকার। এসব বর্জ্যের কারণে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..