1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
এখনও থেমে নেই রুহিঙ্গাদের ইয়াবা ব্যাবসা!রাতের অন্ধকারে আসছে ইয়াবার চালান! - ডেইলি টেকনাফ
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঢাকা-১৪ আসনের এমপি আসলামের মৃত্যুতে সাবেক এমপি বদি’র শোক প্রকাশ লকডাউন অমান্য কারিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে টেকনাফ উপজেলা প্রসাশন Inauguration of office of Scrap Business Association in Teknaf in collaboration with Practical Action পাঠক শুনবেন কি? টেকনাফে প্রাকটিক্যাল এ্যাকশনের সহযোগিতায় স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ী সমিতির অফিস উদ্বোধন দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে সাবেক এমপি বদি দেশ’বাসীর কাছে দোয়া কামনা টেকনাফ সদর মৌলভী পাড়ার জোসনা বেগম গত ৫দিন ধরে নিখোঁজ,অভিযুক্ত রিয়াজের সন্ধান পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা টেকনাফে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১১ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা আদায় জনসমর্থনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করলেন নুর হোসেন চেয়ারম্যান টেকনাফে ৯৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

এখনও থেমে নেই রুহিঙ্গাদের ইয়াবা ব্যাবসা!রাতের অন্ধকারে আসছে ইয়াবার চালান!

  • আপডেট টাইম সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯

মিজানুর রহমান মিজান।



বার্মার(মিয়ানমার) রাখাইনে সেনাবাহিনীর অত্যাচার ও নিযার্তনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে আশ্রয় নিয়েছে রোহিঙ্গারা। এরসঙ্গে পাল্লা দিয়ে ইয়াবার বড় বড় চালানও পাচার হয়ে আসছে। শুরু থেকেই অনুপ্রবেশ ঠেকাতে টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্তে কড়া পাহারা দিচ্ছে বিজিবি, কোস্টগার্ড ওআইনশৃংখলা বাহিনী’ এরপরও থেমে নেই ইয়াবা পাচার।

টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম আরিফুল ইসলাম বলেন, মিয়ানমারের কিছু সেনা ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে এখন সরাসরি জড়িত এবং এর আগেও এদেশে তাদের সহযোগিতাই ইয়াবার বড় বড় চালান এসেছে। তারা কিছু রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে সেদেশে চোরাকারবারীদের সঙ্গে আতাত করে বাংলাদেশে ইয়াবার বড় বড় চালান পাচার করছে বলে আমাদের হাতে তথ্য প্রমাণ রয়েছে। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকানোর পাশাপাশি বিজিবি ও আইনশৃংখলা বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা ইয়াবা চোরাচালান বন্ধ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে।

বিজিবি সতর্ক বলেই বড় বড় বেশি চালান ধরা পড়ছে।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে, মিয়ানমার সব সময় বাংলাদেশকে দুটি বিষয়ে চিন্তায় রেখেছেন। তারমধ্যে একটি হলো রোহিঙ্গা, অপরটি মরণ নেশা ইয়াবা। এরমধ্যেও পুরো সীমান্ত এলাকায় বিজিবি-কোস্টগার্ডসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কড়া পাহারা থাকলেও মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান আসা বন্ধ নেই।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) টেকনাফের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন বলেন, মিয়ানমার বাংলাদেশকে রোহিঙ্গা ও ইয়াবা দিয়ে সবসময় চেপে রেখেছেন। এরমধ্যে উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে আরও প্রায় সাড়ে চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গার সঙ্গে এখন রাতের আধাঁরে ইয়াবার চালান আসছে।
বিজিবি ও র্যাব সূত্র জানায়, ৩ অক্টোবর মঙ্গলবার দিবাগত রাত নয়টার দিকে বিজিবির সদস্যরা টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটির উত্তর পাশের রোহিঙ্গা বোঝাই একটি নৌকা থেকে এক বস্তা এক লাখ ইযাবা বড়ি উদ্ধার করা হলেও এঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
২৯ সেপ্টেম্বর টেকনাফ বড়ইতলী এলাকায় নাফ নদীর কেওড়া বাগান এলাকায় একটি হস্তচালিত নৌকা থেকে ২০ হাজার ৯২৫ পিছ ইয়াবা বড়িসহ তিনজনকে আটক করা হয়। তারা হলো- মিয়ানমারের মংডু শহরের আশিক্কাপাড়া মো. ফয়সাল (২০), নাপিতেরডেইল মোহাম্মদ আলী (২০) ও কাইনখালীর মো. আব্দুল (২০)।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর বুধবার ভোররাত চারটার দিকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা দিয়ে একটি ট্রলারসহ চারজনকে আটক করে র্যাব। এসময় ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে ৮ লাখ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। ট্রলারে থাকা চারজন পাচারকারীর মধ্যে তিনজন মিয়ানমারের নাগরিক। তারা হলো-হাবিব উল্লাহ (২৪), মো. জমিল (২৪), বদি আলম (৪৫) ও টেকনাফের মো. আলী (৪৫)।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে বিজিবির সদস্যরা নাফনদী থেকে একটি নৌকা ও ৪লাখ ৩৫ হাজার ৮০৫ পিস ইয়াবা বড়িসহ দুই নাগরিককে আটক করা হয়। আটক দুজন হলো-মিয়ানমারের মংডুর মাংগালার মো. কামাল আহমদ (৪৫) ও মো. ইলিয়াস (৩০)।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটলিয়ান র্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যা¤পের কো¤পানি কমান্ডার মেজর রুহুল আমিন বলেন, গত এক সপ্তাহে টেকনাফ থেকে ৮ লাখ ইয়াবা বড়িসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
টেকনাফের জেলেরা বলেন, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ রোধ করতে গত আগস্ট মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে স্থানীয় প্রশাসন নাফনদীতে মাছ ধরা বন্ধ করে দেওয়াই জেলেরা মাছ ধরতে নামতে পারছেন না। কিন্তু এরই মধ্যে রাতে নৌকায় করে ইয়াবার বড় বড় চালান আসছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ অধিনায়ক মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার বলেন, বিজিবির সদস্যরা গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত দুই সপ্তাহে টেকনাফের আছারবনিয়া, ঝিনাপাড়া, নাইট্যংপাড়া, টেকনাফ সদরের আব্দুল গফুরের চিংড়ি খামার ও শাহপরীর দ্বীপ এলাকা থেকে ১০ লাখ ৬১ হাজার ২৫৫ পিস ইয়াবা বড়িসহ ২৩জনকে আটক করা হয়। তারমধ্যে ১৭জন রোহিঙ্গা নাগরিক রয়েছেন।
বিজিবি সূত্র জানায়, গত আগস্ট মাসে টেকনাফে বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে পাচার কালে বিজিবির সদস্যরা ৫ লাখ ১৯ হাজার ১১৯টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করেছে। এসময় ২৯জনকে আটক করা হয়। তারমধ্যে অধিকাংশ আটক ব্যক্তি ছিলেন মিয়ানমারের নাগরিক।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাইন উদ্দিন খাঁন বলেন, নাফ নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবা চোরাচালান থেমে নেই। তার স্থলপথে পাচারের সময় পুলিশও কয়েকটি ইয়াবার ছোট চালান ধরেছে।

তথ্যঃ-অনলাইন।

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..