1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
কক্সবাজার জেলার দুই লক্ষাধিক জেলে পরিবারে হাহাকার - ডেইলি টেকনাফ
শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২১, ১১:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবরাং ইউ,পি ছাত্রলীগের সাঃসম্পাদক নজরুল ইসলামের খোলা চিঠি টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা,আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের প্রতিবাদ ও নিন্দা টেকনাফ উপজেলা আ.লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব এজাহার মিয়ার নববর্ষের শুভেচ্ছা সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালামের নতুন বছরের শুভেচ্ছা অসুস্থ ছেনোয়ারার চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা দান করলেন টেকনাফ পৌর মেয়র হাজ্বী মোহাম্মদ ইসলাম ঈদগাঁওতে সাংবাদিককে মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে দুই বাংলা অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের মানববন্ধন টেকনাফ পৌরসভায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সাড়ে ৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প পরিদর্শন করেন শেখ মুজাক্কা জাহের বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে ২লাখ ৭০হাজার ইয়াবাসহ ট্রলার জব্দ সাবরাং ইউনিয়ন কৃষকলীগের ১-৯ ওয়ার্ডের কমিটি অনুমোদন সভা সম্পন্ন টেকনাফে র‍্যাবের গুলিতে রোহিঙ্গা মাদক কারবারীর প্রাণহানি

কক্সবাজার জেলার দুই লক্ষাধিক জেলে পরিবারে হাহাকার

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০

জসিম মাহমুদ:: বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধের কারণে দুশ্চিন্তায় কক্সবাজারের দেড় লক্ষাধিক জেলে। নিবন্ধিত ৪৮ হাজার জেলে খাদ্য সহায়তার আওতায় আসলেও বাকিরা পাচ্ছেন না কোন সরকারি সহায়তা। সংশ্লিষ্টদের দাবি; করোনা পরিস্থিতিতে অনিবন্ধিত জেলেদেরও সরকারি সহায়তা দেয়া হোক। অবশ্য, অনিবন্ধিত জেলেদেরও সহযোগিতার জন্য সরকারের কাছে চাহিদা প্রেরণ হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসক।

সাগরে ৬৫ দিন মাছ শিকার বন্ধ; তাই কক্সবাজার উপকূলে ফিরেছে শত শত মাছ ধরার ট্রলার। আর এসব ট্রলারে বসে অলস সময় পার করছেন জেলেরা। কিন্তু সবারই চোখে মুখে রয়েছে দুশ্চিন্তা।

বেশ কয়েকজন জেলের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের কারো কাছে নেই কোন জেলে কার্ড। তাই পাবে না সরকারি খাদ্য সহায়তা। আবার যাদের জেলে কার্ড রয়েছে তারাও নাকি পান না এই সরকারি খাদ্য সহায়তা। তার উপর নতুন করে যুক্ত হয়েছে করোনা পরিস্থিতি।

৬ নম্বর ঘাট এলাকায় নোঙর করা এফবি আল্লাহ দান নামে মাছ ধরার ট্রলার। কথা হয় ওই ট্রলারের মাঝি ইলিয়াছ এর সাথে। ইলিয়াছ বলেন, গত ১০ বছর ধরে সাগরে মাছ শিকার করছি। কিন্তু এখনো জেলে কার্ড হয়নি। যখন জেলে কার্ড করতে গিয়েছিলাম, তখন মেম্বার-চেয়ারম্যানরা বলেছে জেলে কার্ড দেয়া বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু দেখেছি যারা জেলে না তারা জেলে কার্ড পেয়েছে। আর আমরা যারা প্রকৃত জেলে তারা জেলে কার্ড করতে পারেনি।

কথা হয় এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের জেলে শুক্কুর আলী সাথে। তিনিও বলেন, গতবছরও কোন সরকারি খাদ্য সহায়তা পায়নি; এবছরও পাবো কিনা তা জানিনা। এখন খুবই দুশ্চিতায় রয়েছি।

আরেক জেলে রহিম বলেন, ১৬ বছর ধরে সাগরে মাছ শিকার করলেও এখনো কোন ধরণের জেলে কার্ড পায়নি। গতবছর বন্ধের সময় সরকারি কোন খাদ্য সহায়তা পায়নি। আমাদের একেকটি ট্রলারে প্রায় ১৭ থেকে ২০ জন পর্যন্ত জেলে আছে। কিন্তু এবছরও এখনো অবধি কোন সহায়তা পায়নি।

টুলুর ঘাট এলাকায় নোঙর করা আছে আবছার উদ্দিন এর মালিকাধীন দুটি ট্রলার। আবছার উদ্দিন বলেন, আমার দুটি ট্রলারে প্রায় ৪০ জন জেলে রয়েছে। এই ট্রলার দুটির কোন মাঝি কিংবা জেলে সরকারিভাবে ১০ কেজি চাল কিংবা কোন নগদ অর্থ পেয়েছে বলে শুনেনি। কিন্তু জেলেদের জন্য খাদ্য সহায়তা আসে সেটা তো আমরা সবাই শুনি। তারপরও কেন এই বন্ধের সময় জেলেরা খাদ্য সহায়তা পায় না?
কক্সবাজারে দুই লক্ষাধিক জেলে থাকলেও সাগরে ৬৫ দিন মাছ শিকার বন্ধের এই সময়ে প্রায় দেড় লক্ষাধিক জেলে সরকারি খাদ্য সহায়তা পান না বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

এব্যাপারে কক্সবাজার জেলা মৎস্য ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি জয়নাল আবেদীন জানান, কক্সবাজারে দুই লক্ষাধিকের বেশি জেলে রয়েছে। তারমধ্যে নিবন্ধিত জেলে রয়েছে মাত্র ৪৮ হাজার। বাকি কিন্তু এখনো নিবন্ধনের বাইরে রয়ে গেছে। বাকিদের জেলেদেরও নিবন্ধনের আওতায় আনার জন্য বার বার সরকারি দপ্তরগুলোকে তাগাদা দিলেও এখনো পর্যন্ত নিবন্ধনের আওতায় আনেনি। যার ফলে একদিকে সাগরে মাছ ধরা বন্ধ, অন্যদিকে করোনা ভাইরাস; এই দুই পরিস্থিতি নিয়ে জেলেরা খুব দুশ্চিতায় রয়েছে। তাই সরকারের কাছে দাবি থাকবে, দ্রুত যাতে অনিবন্ধিত জেলেদের নিবন্ধনের আওতায় এনে সরকারি খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।

অবশ্য কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, জেলেদের নিবন্ধন প্রক্রিয়াটা একটা প্রজেক্টের মাধ্যমে ছিল, যেটা এখন বন্ধ হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত জেলায় ৪৮ হাজার নিবন্ধিত জেলে রয়েছে। তাদের খাদ্য সরবরাহটা সরকারের কাছ থেকে পাওয়া যাবে। এর বাইরেও যে লক্ষাধিক জেলে রয়েছে তারাও যাতে সরকারি খাদ্য সহায়তা পায় তারজন্য সরকারের কাছে চাহিদাপত্র প্রেরণ হবে।

কক্সবাজারের ৮টি উপজেলায় ছোট-বড় মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে ১০ হাজারের অধিক। আর এসব ট্রলারে করে সাগরে মাছ শিকার করে দুই লক্ষাধিক জেলে।

সুত্র:টেকনাফ নিউজ

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..