1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত সাবরাংয়ের পান চাষিরা,হারাতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী শত বছরের গ্রামীন পান বরজ | ডেইলি টেকনাফ - ডেইলি টেকনাফ
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবরাং ইউ,পি ছাত্রলীগের সাঃসম্পাদক নজরুল ইসলামের খোলা চিঠি টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা,আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের প্রতিবাদ ও নিন্দা টেকনাফ উপজেলা আ.লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব এজাহার মিয়ার নববর্ষের শুভেচ্ছা সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালামের নতুন বছরের শুভেচ্ছা অসুস্থ ছেনোয়ারার চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা দান করলেন টেকনাফ পৌর মেয়র হাজ্বী মোহাম্মদ ইসলাম ঈদগাঁওতে সাংবাদিককে মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে দুই বাংলা অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের মানববন্ধন টেকনাফ পৌরসভায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সাড়ে ৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প পরিদর্শন করেন শেখ মুজাক্কা জাহের বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে ২লাখ ৭০হাজার ইয়াবাসহ ট্রলার জব্দ সাবরাং ইউনিয়ন কৃষকলীগের ১-৯ ওয়ার্ডের কমিটি অনুমোদন সভা সম্পন্ন টেকনাফে র‍্যাবের গুলিতে রোহিঙ্গা মাদক কারবারীর প্রাণহানি

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত সাবরাংয়ের পান চাষিরা,হারাতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী শত বছরের গ্রামীন পান বরজ | ডেইলি টেকনাফ

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২০

মিজানুর রহমান মিজান।।

বৈশ্বিক মহামারি করোনার সংক্রমণ এড়াতে সারা দেশের মতো টেকনাফেও মানুষ এখন গৃহবন্ধি।সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সবাই রয়েছে নিরাপদ দূরত্বে।সীমিত আকারে খোলা রয়েছে হাট বাজার।অঘোষিত লকডাউনে বন্ধ রয়েছে যোগাযোগ ব‍্যবস্থা সড়ক ও পরিবহন।বন্ধ রয়েছে ঢাকাগামী ও যেসকল জেলাশহরে পানের যোগান যেতো সকল ট্রাক পরিবহন ব‍্যবস্থা। কাজেই আরো ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন টেকনাফ উপজেলার সবচেয়ে পান উৎপাদনকারী স্থান দেশের সর্বশেষ সীমান্তের শেষ সাবরাং ইউনিয়নের পান চাষীরা।
পান বিক্রির বাজার নেই। তাই গাছের পান গাছেই থেকে যাচ্ছে।আক্রমন করে বসছে কেরেনা(পানের রোগের গ্রামের নাম)সহ বিভিন্ন ধরনের রোগ।কালো কালো দাগ পড়ে যাচ্ছে এবং কিছু কিছু পান বরজে পান লালছে হয়ে খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে।আর প্রখর রোদের তীব্র গরমে পানের পাতা ঝলসে গিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
দরিদ্র শ্রেনীর চাষীরা নিজ এলাকার একান্ত লোকজন  থেকে লোন নিয়ে পানের চাষ করা চাষীরা পড়েছে চরম বিপাকে। এখন তাঁদের মাথায় হাত,লোন শোধ করাতো দুরের কথা,পানের বরজে খরচ করা পুঁজি উঠাতেই হিমশিম খাচ্ছে তাঁরা।কিভাবে শোধ করবে এই লোন এই টেনশন নিয়ে কাটাতে হচ্ছে দিন।

স্থানীয় কয়েকজন পান চাষীদের  সাথে কথা বলে জানা যায়।একেকটি পানের বরজ করতে মৌসুমের শুরু থেকে যেমন পানের আগা(বীজ গাছ)বাঁশ,সার,জনমুজুরী’সহ তাদের খরচ হয়েছে ১থকে দেড় লাখ টাকা।

প্রথমদিকে পানের ভালো দাম পাওয়ায়  সামান্য কিছু আশা জাগলেও  এখন পানের একেবারে দাম নাই বললেই চলে। ১০০ বিরা পান উত্তোলন করতে মজুরি খরচ আসে   ৩৫০০ থেকে  ৪০০০ টাকা ।  এসব পান বাজারে এনে পরিবহন সংকটের কারণে  দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না,এতে পানের মজুরি খরচ টুকু ও উঠছে না।
আবার এলাকায় পানের দোকান গুলো অঘোষিত   লকডাউনের ফলে বন্ধ থাকায় খুচরো মার্কেটেও তা বিক্রি হচ্ছে না। ফলে প্রতিটি পানের বরজে জমতে শুরু করেছে বিপুল সংখ্যক পান।

মানবিক বিবেচনা করে এ বিষয়ে সঠিক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করার জন‍্য আবেদন জানিয়েছেন সম্মিলিত পান চাষীরা।তা না হলে তাদের পথে বসতে বেশি সময় লাগবেনা এবং লোকসানের ভয়ে আগামী মৌসুমে নতুন করে পানের বরজের চাষ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে সবার অভিমত।এতে করে হারিয়ে যাবে শত বছরের গ্রামীন ঐতিহ্যবাহী জীবিকা ও কর্মসংস্থানের মাধ‍্যম পান বরজ।

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..