1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০২:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
চকরিয়ায় যাত্রীবাহি নাইট কোচে ডাকাতি : গুলিবিদ্ধ-১৫,আহত ৩ একজন শিক্ষক মুক্তিযোদ্ধার ইতি কথা টেকনাফের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সমসাময়িক ভাবনা টেকনাফে শাহপরীর দ্বীপের বেড়িবাধ পুনঃনির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শন করেন এমপি শাওন। হোয়াইক্যং নয়াবাজারের মহিয়সী নারী শামসুন নাহারের ২২তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ মাওলানা গোলাম সারোয়ার সাঈদীর ইন্তেকাল শাহ্পরীর দ্বীপে হতদরিদ্রদের মাঝে(IOM)সংস্থার নগদ ৩৫ হাজার টাকা বিতরণ উদ্বোধন করেন নুর হোসেন চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের মৃত্যুতে টেকনাফ উপজেলা রেন্ট-এ কার,নোহা,মাইক্রো মালিক সমবায় সমিতির শোক প্রকাশ ইসলামপুর ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ সাংবাদিক শাহাজাহান শাহীন ভাল থেকো আব্বু

ক‍্যান্সার আক্রান্ত সায়মার চিকিৎসার জন‍্য মানবিক সাহায‍্যের আবেদন

  • আপডেট টাইম সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২০

(ক্যান্সার আক্রান্ত সায়মা আফরোজ চিকিৎসা পেলে আবার সুস্থ হয়ে যাবে-সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান মা ফাতেমার)

|শাহ্‌ মুহাম্মদ রুবেল, মিজানুর রহমান মিজান|

টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ডেগিল্যার বিল গ্রামের ক্যান্সারে আক্রান্ত ৬ বছর বয়সী শিশু সায়মা আফরোজা বাঁচতে চায়।ডেগিল্যার বিলের মরহুম রশিদ আহমদ ও মা ফাতেমা খাতুনের ছোট মেয়ে।পরিবারে ৫ বোন ২ভাইয়ের মধ‍্যে ছোট সবার ছোট সায়মা আফরোজা।ফুটফুটে নিস্পাপ এই শিশুটি ক‍্যান্সারে আক্রান্ত।মেয়েটির চিৎকারে প্রতিনিয়ত যেন আল্লাহর আরশ কেপে উঠছে এযেন এক করুন ও হ্নদয় বিদারক দৃশ‍্য।তাঁর চিকিৎসায় কয়েক লক্ষ টাকার প্রয়োজন। মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন বিধবা মা ফাতেমা খাতুন।

জানা গেছে, শিশু সায়মা আফরোজা  পিতা-মাতার অত্যন্ত আদরের সন্তান। দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে অন্যান্য শিশুদের মতো খেলাধুলার বদলে তার দিন কাঠে ব্যথা যন্ত্রণায়। জটিল এ রোগে আক্রান্ত হলেও এখনো বুঝতে পারেনি সে।  কথা বলে ৮-১০টি শিশুর মতো স্বাভাবিকভাবে। এদিকে ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু সায়মা আফরোজার  দীর্ঘ চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারও প্রায় নিঃস্ব। দীর্ঘ চার বছর ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় ইতিমধ্যেই সায়মা আফরোজার চিকিৎসায় লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে পরিবারের।

চার বছর আগে খেলতে গিয়ে দমকা বাতাসে বালু বা ধূলিকণা উড়ে চোখে এসে পড়ে। এরপর সায়মা আফরোজার চোখের পাপড়িই ঢুকে যায় চোখের ভেতর এবং জ্বালা করে। উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে চিকিৎসা নেওয়ার পরেও চোখের জ্বালা যন্ত্রণা না কমায় চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্রগ্রামের পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ততদিনে অনেক দেরী হয়ে গেছে। সেখানে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তার চোখের অপারেশনের পরামর্শ দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে অপারেশনও করা হয়। কিন্থু এখানেই শেষ নয়। অপারেশনের সময় চোখে বালি বা ময়লা বের করার ভুল চেষ্টার কারণে তার একটি চোখ নষ্ট হয়ে পড়ে।

সে নষ্ট চোখ থেকে সায়মা আফরোজার ক্যান্সারের উৎপত্তি বলে মনে করেন চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ তাপস মিত্র। তার পরামর্শে মেডিকেলের রেডিওথেরাপি বিভাগে এতোদিন চিকিৎসা চলছিল।

শুরুতে ক্যান্সার শনাক্ত না হওয়ায় ভালো হওয়ার আশায় পরিবার বে-সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। পরবর্তীতে ক্যান্সার শনাক্ত হলে সায়মা আফরোজাকে বাড়ি নিয়ে আসে পরিবার। বর্তমানে শিশু সায়মা আফরোজার উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রতিমাসে একটি কেমোথেরাপি নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ তাপস মিত্র। এজন্য কয়েক লক্ষা টাকার প্রয়োজন। সায়মা আফরোজার পিতা গত হয়েছে ২০১৫ সালে পবিত্র নগরী সৌদি আরবে। পিতার মরদেহ দেশে আনার সামর্থ্য না থাকায় প্রবাসীদের সহযোগিতায় সেখানে দাফন করা হয়। এমতাবস্থায় তার মা বিধবা ফাতেমা খাতুনের পক্ষে একেবারেই এত টাকা যোগাড় করা অসম্ভব।

সায়মা আফরোজার মা বিধবা ফাতেমা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, সায়মা জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ায় তাকে সরকারি,বে-সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করানো হয়। এতে জমি বিক্রির টাকা এবং আত্মীয় স্বজন থেকে নেওয়া সকল টাকাই খরচ হয়ে যায়। কিছুদিন পূর্বে তার ক্যান্সার শনাক্ত হয়। ডাক্তারদের পরামর্শেই মেডিকেলের রেডিওথেরাপি বিভাগে চিকিৎসার উদ্যোগ গ্রহণ করি। একেকটি কেমোথেরাপি নিতে খরচ হয় প্রায় ত্রিশ হাজার টাকা। প্রতিমাসে কেমোথেরাপি দিতে না পারলেও দুই বছরে ছয়টি কেমোথেরাপি দিতে সক্ষম হয়। নিজের নিকট টাকা পয়সা না থাকলেও এলাকাবাসীর সহযোগীতা ও ভালোবাসার আশায় আদরের শিশু কন্যাটিকে চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছি। আল্লাহ রহমত করলে এবং প্রবাসী ও গ্রামবাসীর সহযোগিতা পেলে হয়তো আমার প্রাণপ্রিয় শিশুকন্যাকে আবারো স্বাভাবিক জীবনে দেখতে পাবো।

সাবরাং কমিউনিটি সেন্টার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোলভী মকসুদ আহমেদ জানান, ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুটিকে যে কেউ দেখলেই মায়ার জালে আবদ্ধ হবে। ছোট্ট এই শিশুটি আজ আমার কিংবা আপনার মেয়েও হতে পারতো। তাই অন্যের মেয়ে না ভেবে নিজের মেয়ের মতো দেখে শিশুটির চিকিৎসায় প্রবাসীসহ সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

সায়মা আফরোজা চিকিৎসায় সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা: বিকাশ-০১৮২২২৩৯৯৯৯,০১৮৫৭৭৩৪২২৮, নগদ-০১৮২২২৩৯৯৯৯ এবং কারেন্ট একাউন্ট-০০১-১০০-১২০৮, ঢাকা ব্যাংক, টেকনাফ শাখা।

আপনার মন্তব্য দিন
এ জাতীয় আরো খবর..