1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
চলতি মাসেই সব প্রাথমিকে শিক্ষকদের বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু !! - ডেইলি টেকনাফ
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঢাকা-১৪ আসনের এমপি আসলামের মৃত্যুতে সাবেক এমপি বদি’র শোক প্রকাশ লকডাউন অমান্য কারিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে টেকনাফ উপজেলা প্রসাশন Inauguration of office of Scrap Business Association in Teknaf in collaboration with Practical Action পাঠক শুনবেন কি? টেকনাফে প্রাকটিক্যাল এ্যাকশনের সহযোগিতায় স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ী সমিতির অফিস উদ্বোধন দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে সাবেক এমপি বদি দেশ’বাসীর কাছে দোয়া কামনা টেকনাফ সদর মৌলভী পাড়ার জোসনা বেগম গত ৫দিন ধরে নিখোঁজ,অভিযুক্ত রিয়াজের সন্ধান পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা টেকনাফে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১১ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা আদায় জনসমর্থনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করলেন নুর হোসেন চেয়ারম্যান টেকনাফে ৯৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

চলতি মাসেই সব প্রাথমিকে শিক্ষকদের বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু !!

  • আপডেট টাইম শনিবার, ৮ জুন, ২০১৯

মিজানুর রহমান মিজান, টেকনাফ।দেশের সমস্ত সমিজান প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলতি মাসেই চালূ হচ্ছে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ব্যাবস্থা।

যন্ত্রের সাহায্যে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের হাজিরা শতভাগ নিশ্চিত করতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ডিভাসের মাধ্যমে এ ব্যাবস্থা করা হয়েছে বলে জানান। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা মনিটরিং করবেন এ হাজিরার বিষয়টি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তাএ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রাজধানী ঢাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরের নামী দামী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে অনেক আগেই বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু হলেও দেশের অন্যান্য এলাকায় বা মফস্বলে চালু হয়নি। এবার সারাদেশের সরকারি হিসাব মোতাবেক
৬৫ হাজার ৬০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছেন তিন লাখ ২২ হাজার ৭৬৬ জন। তাদের প্রত্যেককে এই ডিজিটাল হাজিরার আওতায় আনা হবে বলে নিশ্চিত জানা যায়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলকভাবে উপস্থিত থাকতে হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন বলেন, শিক্ষকদের জবাবদিহিতার মধ্যে এনে উপস্থিতি শতভাগ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। স্লিপের টাকা থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষই ডিভাইস কিনবে। তারা নিজ নিজ বিদ্যালয়ে তা বসাবেন। উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারা এটি দেখাশুনা করবেন।

তিনি বলেন, অনেক উপজেলায় এরই মধ্যে ডিভাইস কিনা হয়েছে,অনেক উপজেলায় কিনা হচ্ছে।এ ডিভাইস বসানো সম্পন্ন হলে তারপর বুঝা যাবে কোন শিক্ষক মাসে বা বছরে কতদিন উপস্থিত আর অনুপস্থিত থাকে।এতে করে শিক্ষকদের হাজিরার গাফেলতি নিয়ে জনমনে যে বিতর্ক আছে তা অনেকাংশে লাগব হবে।
এবিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহনের পর গত ২৮শে এপ্রিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে চিঠি দিয়ে সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের তা জানিয়ে দেয়া হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. এনামুল কাদের খান এর সইকৃত ওই চিঠিতে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে তাদের স্লিপ( বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা) ফান্ড থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মধ্যে এই বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কেনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বলা হয় নিজ নিজ দায়িত্বে এই মেশিন আগামী জুনের মধ্যেই কিনতে।

তথ্য সংগ্রহঃ-অনলাইন

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..