1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
চারদিকে শুধু ভাইরাস আর ভাইরাস | ডেইলি টেকনাফ - ডেইলি টেকনাফ
মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সাবরাং নয়াপাড়া অমর একুশে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন নুর হোসেন বিএ সপরিবারে সেন্টমার্টিনে সফরে পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ কক্সবাজারে ৫৩৫ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন মাদক ধ্বংস করছে বিজিবি ঈদগাঁও থানা উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের পরিচিতি ও জরুরি সভা অনুষ্ঠিত শক্তিশালী রামুকে হারিয়ে ইতিহাসের প্রথমবার ফাইনালে টেকনাফ টেকনাফ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে মোঃ আলমগীরকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবরাং ইউ,পি ছাত্রলীগের সাঃসম্পাদক নজরুল ইসলামের খোলা চিঠি টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা,আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের প্রতিবাদ ও নিন্দা টেকনাফ উপজেলা আ.লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব এজাহার মিয়ার নববর্ষের শুভেচ্ছা

চারদিকে শুধু ভাইরাস আর ভাইরাস | ডেইলি টেকনাফ

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২০

চারদিকে শুধু ভাইরাস!আর ভাইরাস

ইমাউল হক পিপিএম।

নারায়ণগঞ্জ থেকে মনের অজান্তেই করোনা য় আক্রান্ত। কোন লক্ষণ নেই ।ছুটির মধ্যেই আপনজনদের খবর নিতে গিয়ে জন্ম দাতা পিতাকে পরে পিতা থেকে এক মাত্র ছেলে কে আক্রান্ত করেছেন। এখন সে অনুশোচনায় ভূগছে।কিন্তু যা হবার তা তো হল।

আরেকজনের কোন কাজ নেই ।ঢাকার গলিতে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরল।তার স্ত্রী গত এক মাস বাইরেও যায়নি কিন্তু আক্রান্ত। সে ব্যক্তি বন্ধু দর নিকট থেকে রোগ এনে পরিবার কে দিল।এ প্রতারনার জন্য সে ক্ষমা প্রার্থী ।কিন্তু তার সন্তান তো এতিম হল।

ইতালি থেকে এসেছিল। হজ্জ কাম্পে থাকেনি।মজার ব্যাপার হলো যে cng তে গেল।বাসার দারোয়ান ব্যাগ ধরেছিল।বাসার কাজের মেয়ে কে তার স্বামী র(সেলস ম্যান) জন্য শার্টে দিয়েছিল।সেই শার্ট পড়ে দোকানে অনেককেই বিক্রি দিয়েছে।এ ভাবে 11 জন।সে এই অনুশোচনায় আরো অসুস্থ হয়ে চিৎকার!তার যা হবার হয়েছে কিন্তু 11জনের দায়িত্ব নিতে পারেনি। 11 জন 1100জনের দায়িত্ব নিতে পারছে না।এভাবে জীবন হানি র শাস্তি কি??

ছুটি দিল।সবাই বাড়ী গেলেন। কি জানতেন না ড্রেপলেট আর সংস্পর্শে করোনা হয়?বিদেশ থেকে নিজে বাঁচার জন্য আসলেন কিন্তু বাঁচতে তো পারলেন না ।মারলেন রক্তের ভাই বোন কে।সাত সমুদ্র তেরো নদী পার হয়ে করোনা র আসার শক্তি ছিল না ভাই।ঢাকায় হল ,নারায়ণগঞ্জ হল ।সেখান থেকে রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা না মেয়ে রাজশাহী ,পাবনা রংপুর ছড়ালেন।তাতে কত লাখ মানুষের চোখের ঘুম কেড়ে নিলেন।

অনেক আগেই সরকার নির্দেশনা দিল।মানলেন না।পুলিশ কড়া হল তার চোদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার।চীনে ঐ এক রাজ্য ই আক্রান্ত। আর আমারা। পানি খেলাম কিন্তু ঘোলায়ে।
মাত্র এক থেকে দুই শ মানুষের ইচ্ছা মত চলা ফেরা র মূল্য দিতে যেয়ে বিশ কোটি মানুষ ঘুম হীন।এর জবাব দিবে কে?
আমারা নিজেদের অনেক সচেতন মনে করি।আমরা এতটাই বিজ্ঞ যে রাষ্ট্র কোন সিদ্ধান্ত নিলে কথায় কথায় ভূল ধরি ,অমান্য করি।মুহূর্তে র মধ্যে ডিসি ,এসপি ,জজ,ব্যারিস্টার কে যা ইচ্ছা তাই বলি।
রাষ্ট্রীয় আনুগত্যের শপথ তো স্কুলে দেয়।সেটা রক্ষা করতে শুধু পুলিশ, আর্মি ,বিডিআর হতে হয় না।শুধু আইন মানলেই হয়।
না মানার সংখ্যা কিন্তু কম।খুবই কম।একে বারেই কম ।সংখ্যায় কম হলে কি হবে করোনা ভাইরাস ও তো প্রথম একটাই ছিল ।এক জনকেই আক্রান্ত করেছে।কিন্তু এখন হাজারে হাজারে, লাখে লাখে
সামনে,পিছনে,ডানে,বামে, সর্বত্র শুধু ভাইরাস আর ভাইরাস। নিশ্বাসে ভাইরাস, বিশ্বাসে ভাইরাস

এরাও ভাইরাসের চেয়ে কোন অংশে,,,,,,,,, ,,,

থেকে মনের অজান্তেই করোনা য় আক্রান্ত। কোন লক্ষণ নেই ।ছুটির মধ্যেই আপনজনদের খবর নিতে গিয়ে জন্ম দাতা পিতাকে পরে পিতা থেকে এক মাত্র ছেলে কে আক্রান্ত করেছেন। এখন সে অনুশোচনায় ভূগছে।কিন্তু যা হবার তা তো হল।

আরেকজনের কোন কাজ নেই ।ঢাকার গলিতে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরল।তার স্ত্রী গত এক মাস বাইরেও যায়নি কিন্তু আক্রান্ত। সে ব্যক্তি বন্ধু দর নিকট থেকে রোগ এনে পরিবার কে দিল।এ প্রতারনার জন্য সে ক্ষমা প্রার্থী ।কিন্তু তার সন্তান তো এতিম হল।

ইতালি থেকে এসেছিল। হজ্জ কাম্পে থাকেনি।মজার ব্যাপার হলো যে cng তে গেল।বাসার দারোয়ান ব্যাগ ধরেছিল।বাসার কাজের মেয়ে কে তার স্বামী র(সেলস ম্যান) জন্য শার্টে দিয়েছিল।সেই শার্ট পড়ে দোকানে অনেককেই বিক্রি দিয়েছে।এ ভাবে 11 জন।সে এই অনুশোচনায় আরো অসুস্থ হয়ে চিৎকার!তার যা হবার হয়েছে কিন্তু 11জনের দায়িত্ব নিতে পারেনি। 11 জন 1100জনের দায়িত্ব নিতে পারছে না।এভাবে জীবন হানি র শাস্তি কি??

ছুটি দিল।সবাই বাড়ী গেলেন। কি জানতেন না ড্রেপলেট আর সংস্পর্শে করোনা হয়?বিদেশ থেকে নিজে বাঁচার জন্য আসলেন কিন্তু বাঁচতে তো পারলেন না ।মারলেন রক্তের ভাই বোন কে।সাত সমুদ্র তেরো নদী পার হয়ে করোনা র আসার শক্তি ছিল না ভাই।ঢাকায় হল ,নারায়ণগঞ্জ হল ।সেখান থেকে রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা না মেয়ে রাজশাহী ,পাবনা রংপুর ছড়ালেন।তাতে কত লাখ মানুষের চোখের ঘুম কেড়ে নিলেন।

অনেক আগেই সরকার নির্দেশনা দিল।মানলেন না।পুলিশ কড়া হল তার চোদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার।চীনে ঐ এক রাজ্য ই আক্রান্ত। আর আমারা। পানি খেলাম কিন্তু ঘোলায়ে।
মাত্র এক থেকে দুই শ মানুষের ইচ্ছা মত চলা ফেরা র মূল্য দিতে যেয়ে বিশ কোটি মানুষ ঘুম হীন।এর জবাব দিবে কে?
আমারা নিজেদের অনেক সচেতন মনে করি।আমরা এতটাই বিজ্ঞ যে রাষ্ট্র কোন সিদ্ধান্ত নিলে কথায় কথায় ভূল ধরি ,অমান্য করি।মুহূর্তে র মধ্যে ডিসি ,এসপি ,জজ,ব্যারিস্টার কে যা ইচ্ছা তাই বলি।
রাষ্ট্রীয় আনুগত্যের শপথ তো স্কুলে দেয়।সেটা রক্ষা করতে শুধু পুলিশ, আর্মি ,বিডিআর হতে হয় না।শুধু আইন মানলেই হয়।
না মানার সংখ্যা কিন্তু কম।খুবই কম।একে বারেই কম ।সংখ্যায় কম হলে কি হবে করোনা ভাইরাস ও তো প্রথম একটাই ছিল ।এক জনকেই আক্রান্ত করেছে।কিন্তু এখন হাজারে হাজারে, লাখে লাখে
সামনে,পিছনে,ডানে,বামে, সর্বত্র শুধু ভাইরাস আর ভাইরাস। নিশ্বাসে ভাইরাস, বিশ্বাসে ভাইরাস

এরাও ভাইরাসের চেয়ে কোন অংশে,,,,,,,,, ,,,

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..