1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
টেকনাফ উপজেলা আওয়ামীলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা সম্পন্ন - ডেইলি টেকনাফ
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঢাকা-১৪ আসনের এমপি আসলামের মৃত্যুতে সাবেক এমপি বদি’র শোক প্রকাশ লকডাউন অমান্য কারিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে টেকনাফ উপজেলা প্রসাশন Inauguration of office of Scrap Business Association in Teknaf in collaboration with Practical Action পাঠক শুনবেন কি? টেকনাফে প্রাকটিক্যাল এ্যাকশনের সহযোগিতায় স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ী সমিতির অফিস উদ্বোধন দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে সাবেক এমপি বদি দেশ’বাসীর কাছে দোয়া কামনা টেকনাফ সদর মৌলভী পাড়ার জোসনা বেগম গত ৫দিন ধরে নিখোঁজ,অভিযুক্ত রিয়াজের সন্ধান পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা টেকনাফে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১১ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা আদায় জনসমর্থনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করলেন নুর হোসেন চেয়ারম্যান টেকনাফে ৯৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

টেকনাফ উপজেলা আওয়ামীলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা সম্পন্ন

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০১৯

মোঃ আলমগীর,টেকনাফ ::

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক সাংসদ অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী। উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা নজরুল ইসলামের পরিচালনায়, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী সদস্য কক্সবাজার-৪ উখিয়া টেকনাফ আসনের নবম ও দশম জাতীয় সংসদের জনপ্রিয় সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদি সিআইপি।

এসময় এমপি বদি বলেন, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক ও বেদনার দিন। এই দিনেই ঘাতকেরা হত্যা করেছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তারা হত্যা করে শিশু-নারীসহ তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে। আমাদের ইতিহাসে এ রকম নৃশংসতার নজির নেই। সে সময়ে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা (বর্তমান প্রধানমন্ত্রী) ও শেখ রেহানা দেশের বাইরে ছিলেন বলে বেঁচে যান। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের সবার প্রতি জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি। কেন কুচক্রীরা সেদিন বঙ্গবন্ধুকেই আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু করেছিল? এটি নিছক ব্যক্তিবিশেষের হত্যাকাণ্ড ছিল না; ছিল জাতির অস্তিত্বের ওপর আঘাত। এর মাধ্যমে যে নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেই নীতি ও আদর্শকেই ঘাতকেরা হত্যা করতে চেয়েছিল। তারা প্রথম সুযোগে রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি বিসর্জন দেয়, বাংলাদেশ বেতারের নাম পরিবর্তন করে পাকিস্তানি ধারায় এর নামকরণ করে রেডিও বাংলাদেশ। সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা মুছে ফেলে। ১৫ আগস্টের কুচক্রীরা বেশি দিন ক্ষমতায় থাকতে না পারলেও তারা রাষ্ট্রব্যবস্থায় যে ক্ষত তৈরি করেছিল, তার রেশ এখনো রয়ে গেছে। ১৫ আগস্টের পর ঘাতকেরা জেলখানায় বঙ্গবন্ধুর চার সহযোগী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও এম মনসুর আলীকে হত্যা করে। ক্ষমতা জবরদখলকারী খন্দকার মোশতাক আহমদ ইনডেমনিটি জারি করে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ রুদ্ধ করে দিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে জিয়াউর রহমান সেই অধ্যাদেশকেই পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে আইনে পরিণত করেন, যা বাতিল করতে জাতিকে ২১ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। নানা বাধাবিপত্তি কাটিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের উদ্যোগ নিলেও এক মেয়াদে তা শেষ করা সম্ভব হয়নি।

দ্বিতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারকাজ সম্পন্ন এবং পাঁচ ঘাতকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। এটি যেমন স্বস্তিদায়ক, তেমনি বিদেশে পলাতক ছয় খুনির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে না পারা দুর্ভাগ্যজনক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন

সভায় ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত, কালো ব্যাজ ধারণ, মসজিদ-মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা, হাসপাতালে উন্নত খাবার পরিবেশন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা আয়োজনের বিভিন্ন উপকমিটি গঠন করা হয়। এবং দিবস টি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..