1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
তীব্র তাপদাহের পর এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় "ফনি" - ডেইলি টেকনাফ
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবরাং ইউ,পি ছাত্রলীগের সাঃসম্পাদক নজরুল ইসলামের খোলা চিঠি টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা,আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের প্রতিবাদ ও নিন্দা টেকনাফ উপজেলা আ.লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব এজাহার মিয়ার নববর্ষের শুভেচ্ছা সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালামের নতুন বছরের শুভেচ্ছা অসুস্থ ছেনোয়ারার চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা দান করলেন টেকনাফ পৌর মেয়র হাজ্বী মোহাম্মদ ইসলাম ঈদগাঁওতে সাংবাদিককে মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে দুই বাংলা অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের মানববন্ধন টেকনাফ পৌরসভায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সাড়ে ৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প পরিদর্শন করেন শেখ মুজাক্কা জাহের বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে ২লাখ ৭০হাজার ইয়াবাসহ ট্রলার জব্দ সাবরাং ইউনিয়ন কৃষকলীগের ১-৯ ওয়ার্ডের কমিটি অনুমোদন সভা সম্পন্ন টেকনাফে র‍্যাবের গুলিতে রোহিঙ্গা মাদক কারবারীর প্রাণহানি

তীব্র তাপদাহের পর এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় “ফনি”

  • আপডেট টাইম শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৯

 

নিউজ ডেস্কঃ-



তীব্র দাবদাহের পর এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় “ফনি” আল্লাহ হেফাজত করুক।
নববর্ষের যাত্রা শুরুর মতই মধ্য বৈশাখেও উষ্ণতার ছক্কা হাঁকিয়েই চলেছে প্রকৃতি। দেশের কোথাও বৃষ্টির দেখা নেই। তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত। বৈশাখের একেবারে শুরু থেকে চড়তে থাকা তাপমাত্রার পারদ পূর্বাভাস মেনেই চল্লিশের ঘর ছুঁইছুঁই করছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ দিনে ভরদুপুরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল খুলনায় ৩৯ দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশজুড়ে বয়ে যাওয়া মৌসুমের প্রথম তাপদাহ আজও অব্যাহত থাকবে। আগামী রবিবার নাগাদ সিলেট বিভাগ হয়ে বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে।
এদিকে, গরমের এই চরমতম অবস্থায় জল ঢালতে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি নিজেকে শক্তি-সামর্থ্য বৃদ্ধির প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেই কিছুটা উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর নি¤œচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও জোরদার হয়ে গভীর নিম্নচাপ এবং পরবর্তী সময়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ তে রূপ নিতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের ভেতরে বাতাসের একটানা গড় গতিবেগ ঘণ্টায় ৪৯ কিলোমিটার, যা সর্বোচ্চ ৫৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাগর ওই স্থানে উত্তাল রয়েছে। এটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে দুই হাজার দুইশ’ ১৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। নি¤œচাপটি প্রথমে উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ভারতের তামিলনাড়ু’র নিকটবর্তী হয়ে পশ্চিমা জেট বায়ুর কারণে গতিপথ পরিবর্তন করে। আগামী মে মাসের শুরুতে সেটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ আকারে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
প্রতিবেশি দেশ ভারতের চেন্নাইয়ের রিজিওনাল মেটিরিওলজিক্যাল সেন্টারের ওয়েবসাইটে গতকাল বৃহস্পতিবার সতর্কবার্তা জারি করে বলা হয়েছে, ভারতের উপকূলে সাইক্লোন ‘ফনি’ ধেয়ে আসছে। এ জন্য রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ক্রমশ শক্তি বাড়াতে থাকা সাইক্লোনটি আগামী রবিবারের মধ্যেই আঘাত হানবে উপকূলে। মূলত ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করছে সেটি। এটি ক্রমশ পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। ২৮ এপ্রিল থেকে পয়লা মের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে তামিলনাড়– উপকূলে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামছুদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘নিরক্ষীয় ভারত মহাসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আরও ঘনীভূত হয়ে নি¤œচাপে পরিণত হতে পারে। মাসের একেবারে শেষে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এরপর সেটি আগামী ৩ মে নাগাদ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে।’
আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস মে। বাংলা বর্ষপঞ্জির ঋতু পরিক্রমায় গ্রীষ্মের হামাগুড়ির সময়। বাংলা নববর্ষের প্রথম মাস বৈশাখের প্রথম পক্ষের বিদায়ে যাত্রা শুরু হয় মে মাসের। ২০১৭ সালের মে মাসে টানা ১৯ দিনের তাপদাহে বিপর্যস্ত হয়েছিল সারাদেশ। ওইবছর ঢাকাসহ দেশের প্রায় সব জেলায় দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁইছুঁই। রাজশাহীতে তাপমাত্রার পারদ মৌসুমের সর্বোচ্চ ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে ছিল। কিন্তু, গত বছর মানে ২০১৮ সালের মে মাস ছিল উল্টো বৃষ্টিমুখর। ওই বছর মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে দেশে গড় বৃষ্টি হয়েছে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। অধিদপ্তরের গবেষণার তথ্য বলছে, ১৯৮১ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত টানা ৩০ বছর গ্রীষ্ম ঋতুতে গড় বৃষ্টিপাত ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে কিছু কম। কিন্তু জলবায়ূ পরিবর্তনের কারণে প্রকৃতির খেয়ালী আচরণের ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সাল থেকে গ্রীষ্ম ঋতুতে আবহাওয়া পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। ওই বছর থেকে গ্রীষ্ম ঋতুতে অতিবৃষ্টি, দীর্ঘ সময় ধরে কালবৈশাখী, অত্যধিক বজ্রপাতের প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহের শেষদিকে শুরু হতে যাওয়া রমজানে রোজাদারদের অস্বস্তির অন্যতম কারণ হয়ে উঠতে পারে তাপদাহ। পূর্বাভাসেই এমন ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে। পুরো মে মাসজুড়েই দেশের অধিকাংশ এলাকায় দাপট থাকবে তাপদাহের। মাসের শেষের দিকে দেশের উত্তর ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে একটি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং অন্যান্য স্থানে এক থেকে দুটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি নিম্নচাপ সৃষ্টির আলামত রয়েছে, যার একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। উল্লেখ্য, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের আবহাওয়াবিদরা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রাকে তীব্র তাপপ্রবাহ, ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মাঝারি এবং ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মৃদু তাপপ্রবাহ হিসেবে গণনা করেন।#সংগৃহীত।

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..