1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
থার্টি ফাস্ট রাতের আগেই পর্যটকে ভরপুর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ! - ডেইলি টেকনাফ
শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সাবরাং নয়াপাড়া অমর একুশে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন নুর হোসেন বিএ সপরিবারে সেন্টমার্টিনে সফরে পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ কক্সবাজারে ৫৩৫ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন মাদক ধ্বংস করছে বিজিবি ঈদগাঁও থানা উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের পরিচিতি ও জরুরি সভা অনুষ্ঠিত শক্তিশালী রামুকে হারিয়ে ইতিহাসের প্রথমবার ফাইনালে টেকনাফ টেকনাফ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে মোঃ আলমগীরকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবরাং ইউ,পি ছাত্রলীগের সাঃসম্পাদক নজরুল ইসলামের খোলা চিঠি টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা,আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের প্রতিবাদ ও নিন্দা টেকনাফ উপজেলা আ.লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব এজাহার মিয়ার নববর্ষের শুভেচ্ছা

থার্টি ফাস্ট রাতের আগেই পর্যটকে ভরপুর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত !

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯

ডেইলি টেকনাফ রিপোর্ট ::

২০১৯ সাল বিদায় জানাতে আর মাত্র ২দিন বাকি,২০২০ সালকে স্বাগতম জানাবার জন্য এবং লাইফ ইভেন্ট উপভূগের জন্য অনেকে বিশেষ দিন হিসেবে থার্টি ফাস্ট নাইটের অপেক্ষায় রয়েছে।আর মাত্র দুই দিন পরেই আখাঙ্খিত বছরের (২০১৯ সালের)শেষ দিন।এখন থেকেই কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেল মোটেল ও আবাসিক রাত যাপনের স্পটগুলো দেশি বিদেশি পর্যটকে ভরপূর।বিকেল নামতেই সৈকতে দর্শনার্থীদের কোলাহল ও লোকে লোকারন্য।চলতি বছরের পর্যটন মৌসুম শুরু হতেই সৈকতে লোক সমাগম অধিক পরিমান পরিলক্ষিত করা হচ্ছে।পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলোতে দেশি-বিদেশি পর্যটকের ভিড় শুরু হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে কয়েক লাখ পর্যটক রাত্রিযাপন করছে পর্যটন শহর কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায়।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, পাথুরে ইনানী সৈকত, পাহাড়ি ঝরনা হিমছড়ি, মেরিন ড্রাইভ সড়ক, প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন, রামু বৌদ্ধ মন্দির, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়াদ্বীপ, চকরিয়ার বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, কুতুবদিয়ার সৌরবিদ্যুৎসহ জেলার পর্যটন স্পটগুলোতে উপচে পড়েছে পর্যটক।

এদিকে পর্যটকের আগমন শুরু হওয়ায় পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মধ্যে খুশির আমেজ শুরু হয়েছে। তারা বলছেন, শুক্রবার থেকে পর্যটন এলাকার সব হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউজ ও কটেজগুলোতে পরিপূর্ণ ছিল পর্যটক। পাশাপাশি রেস্টুরেন্টসহ সংশ্লিষ্ট ব্যবসাও ভালোভাবে জমে উঠেছে।

কক্সবাজার কলাতলী মেরিন ড্রাইভ আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, ‘পর্যটকের এ আগমন ধারাবাহিকভাবে আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই ব্যাপক পর্যটকের আগমন ঘটায় ব্যবসায়ীরা খুবই খুশি। পর্যটন এলাকার হোটেলগুলো শুক্রবার থেকে প্রায় সব রুম বুকিং আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি এবার ব্যবসা ভালো হবে। কারণ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এছাড়া কক্সবাজারের প্রশাসন পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে বেশ সচেতন আছে।’

একইভাবে হোটেল মালিক আবদুস সবুর বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা এ সময়ের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। কারণ সারাবছর কম- বেশি ব্যবসা হলেও ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু পর্যটন মৌসুম। এ মৌসুম শুরু হলে ব্যবসায়ীদের পেছনে ফেরে থাকাতে হয় না। পর্যটকদের আগমন যদি মার্চ মাস পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকে তাহলে কক্সবাজারের ব্যবসায়ীরা স্বস্তি পাবে।’

পর্যটকদের ব্যাপারে কক্সবাজার রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডালিম বলেন, ‘আমাদের সমিতির প্রত্যেক রেস্টুরেন্ট মালিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন কোনো পর্যটক হয়রানির শিকার না হয়। কোনো খাবারের দাম যেন বেশি রাখা না হয় বা অন্যকোনভাবে যেন পর্যটকরা মনখারাপ না করেন।’

কক্সবাজার হোটেল গেস্টহাউজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ‘কক্সবাজারে প্রায় চার শতাধিক ছোট বড় হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউজ ও কটেজ রয়েছে। সবাই এখন পর্যটকদের সেবায় নিয়োজিত।’

কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটক পলাশ মাহমুদ বলেন, ‘মূলত সারাবছর কর্মব্যস্ততার মধ্যে কাটে। ডিসেম্বর মাসটা শুরু হলে ছেলে-মেয়েদের পরীক্ষা শেষে স্কুল বন্ধ হয়। যে কারণে এ সময়টার জন্য অপেক্ষ করে থাকি। বছরের শেষে পরিবার-পরিজন নিয়ে ২-৩ দিন সময় কক্সবাজারে কাটাতে পেরে বেশ আনন্দ লাগছে।’

একইভাবে আরও বেশ কয়েকজন পর্যটক জানান, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ন্যায় আলাদাভাবে পাথুরে বীচ ইনানী, পাহাড়ি ঝরনা হিমছড়ি, মেরি ড্রাইভ সড়ক, প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন, রামু বৌদ্ধ মন্দির, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়াদ্বীপ, চকরিয়ার বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, কুতুবদিয়ার সৌর বিদ্যুৎসহ আরও কয়েকটি পর্যটন স্পটের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পেরে বেশ আনন্দিত তারা।

এদিকে কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোছাইন বলেন, ‘পর্যটন মৌসুম উপলক্ষে কক্সবাজার বিপুল সংখ্যক পর্যটকের আগমন মাথায় রেখে তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যেন জেলার কোনো পর্যটন স্পটে কোনো পর্যটক হয়রানির শিকার না হয়।’

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..