1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র ! - ডেইলি টেকনাফ
শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৩:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কক্সবাজারে কাউন্সিলর কাজি মোরশেদ আহমদ বাবুর মৃত‍্যুতে নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শোক প্রকাশ ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না কক্সবাজারসহ টেকনাফের লবণ চাষীরা টেকনাফে সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত অমর একুশের ভাষা শহীদদের প্রতি নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রতি হিংসা নয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উঠে আসুক তৃণমূলের অবহেলিত নতুন নেতৃত্ব: শাওন আরমান টেকনাফে বিজিবির মালিকবিহীন ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফে সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন টেকনাফ পৌরসভায় মূলধন বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রস্তুতি কর্মশালা সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজার রামু হাইওয়ে পুলিশের হাতে বাংলা মদসহ আটক ১,সিএনজি জব্দ টেকনাফে সুচনা হলো বহুল প্রতিক্ষীত কোভিড১৯ এর প্রতিষেধক টিকাদান কার্যক্রম

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র !

  • আপডেট টাইম সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৯

(আলোকিত টেকনাফ ডেস্ক থেকে::)

৬০ লক্ষ মানুষের বসবাস চট্টগ্রাম নগরে। এখানকার অধিবাসীদের সাধ আর সাধ্যের মধ্যে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র বলতে বুঝায় উত্তর প্রান্তের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতকেই, যেখানে শেষ হয়েছে শহরের সীমানা।

এছাড়া সকল শ্রেণির মানুষকে এক স্রোতে মিলিয়ে প্রকৃতির সাহ্নিধ্যে যাওয়ার ডাক দেয় শহর থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরের আনোয়ারা পারকী  সৈকত।

এক সময় শুধু বছরের দুই ঈদে আর দুর্গাপূজার শেষ দিনে প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে মিলনমেলায় পরিণত হতো পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত।

কালের পরিক্রমায় এখন এই সৈকতে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। পানির ঢেউয়ের হাতছানিতে সাপ্তাহিক ছুটিসহ বিভিন্ন বন্ধের দিন লাখো মানুষের ঢল নামে এই সৈকতে।

বেড়াতে এসেই কিশোর আর যুবকরা নেমে পড়ে লবণ পানির সমুদ্র স্নানে। ভাটার সময় অনেকে আবার ঘোড়া আর স্কুটি নিয়ে ছুটে চলে সৈকতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। কেউবা স্পীড বোর্ডে চড়ে ঢেউয়ের তালে লাফিয়ে লাফিয়ে ছুটে বেড়ায় সাগরের বুকে।

চোখের সামনে দৃষ্টিজুড়ে অসংখ্য দেশি-বিদেশি জাহাজ পণ্য নিয়ে নোঙ্গর করে থাকে সব সময়। জাহাজের মাস্তুলের ফাঁক গলিয়ে সূর্যটা হেলে পড়ে যেন অতল পানিতে হারিয়ে যায়। আর সেই দৃশ্য অবলোকন করে প্রেমিক জুটি থেকে শুরু করে পরিবার-পরিজন নিয়ে আসা দর্শনার্থীরা। কেউবা ক্যামেরাবন্দি করে রাখে সেই মুহূর্তগুলো।

এই সৈকতে পর্যটক আকর্ষণে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ চলছে। চলছে ২২ কিলোমিটার লম্বা বেড়িবাঁধ কাম চার লাইনের গাড়ি চলাচলের রাস্তা, যা আউটার রিং রোড নামে পরিচিত।

রাতে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় লাগানো হয়েছে এলইডি বাতি। সৃজন করা হয়েছে ফুলের বাগান, যা এই সৈকতের সৌন্দর্য বাড়িয়েছে। মানুষের বসার জন্য বানানো হয়েছে আলাদা ব্লক।

তবে পাথর ডিঙিয়ে সৈকতে নামার জন্য নেই  কোনও সিঁড়ি। ফলে ঝুঁকি নিয়েই এলোমেলো পাথরের ওপর দিয়েই সৈকতে নামতে হচ্ছে পর্যটকদের।

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..