1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার পূর্বে যা করণীয় - ডেইলি টেকনাফ
শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে সাবেক এমপি বদি’র শোক! প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শোক কক্সবাজারে কাউন্সিলর কাজি মোরশেদ আহমদ বাবুর মৃত‍্যুতে নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শোক প্রকাশ ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না কক্সবাজারসহ টেকনাফের লবণ চাষীরা টেকনাফে সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত অমর একুশের ভাষা শহীদদের প্রতি নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রতি হিংসা নয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উঠে আসুক তৃণমূলের অবহেলিত নতুন নেতৃত্ব: শাওন আরমান টেকনাফে বিজিবির মালিকবিহীন ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফে সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন টেকনাফ পৌরসভায় মূলধন বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রস্তুতি কর্মশালা সভা অনুষ্ঠিত

পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার পূর্বে যা করণীয়

  • আপডেট টাইম বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৯

ডেইলি টেকনাফ ডেস্ক ::

চলতি মাসেই ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলের ছয় মাস মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টারে ছয় মাস মেয়াদী মৌলিক ট্রেনিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে। সেজন্য ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার পূর্বে কি করতে হবে তা জেনে নিনঃ

☞ ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার সময় যে সকল জিনিস পত্র অবশ্যই নিয়ে যাবেনঃ

১। পোষাকঃ ব্যবহার করার জন্য পোশাক যেমন শার্ট, প্যান্ট, লুঙ্গি, গামছা, এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে সাদা সুতি গেঞ্জি ও আন্ডারওয়ার। আরও সাথে নিতে হবে একটি ট্রাকস্যুট, একটি সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট এবং সাদা পাঞ্জাবি (মুসলমানদের জন্য)

২। খাবারঃ প্রতিদিন সকালে পিটি করার আগে অল্প পরিমাণে নাস্তা করা প্রয়োজন। তাই শুকনো খাবার হিসেবে বিস্কুট, চানাচুর, চিড়া, গুড় ইত্যাদি নিতে পারেন। আরও নিতে হবে কিসমিস, ও ছোলা ও খাটি সরিষার তেল।

৩। ঔষুধঃ ট্রেনিং সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা নিজে নিজে করার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধ সাথে নিতে হবে যেমন নাপা, এ্যামোডিস, সিনামিন, হিসটাসিন ইত্যাদি (বিদ্রঃ ট্রেনিং সেন্টারে পুলিশ মেডিকেল থেকে ওষুধ সরবরাহ করা হয়)। আরোও নিতে হবে মুভ বা ফাস্ট জাতীয় মলম। যে জিনিসটি একবারে প্রয়োজনীয় সেটি হচ্ছে স্যালাইন। পর্যাপ্ত পরিমাণে স্যালাইন নিতে হবে।

৪। বেডিংপত্রঃ বেডিংয়ের জন্য বেশী কিছু নেওয়ার প্রয়োজন নেই একটি নরম বালিশ, বেডশিট ও একটা পাতলা তোষক নিলেই চলবে।

৫। চিত্তবিনেদন সামগ্রীঃ ট্রেনিং করতে হবে ছয় মাস তিন মাস পর বাসায় আসতে পারবেন একবার, ট্রেনিংয়ের মাঝে ঈদ হলে আর একবার বাসায় আসার সুযোগ পাওয়া যাবে। তাই এই লম্বা সময়টি পরিবার-বন্ধু-আত্নীয়স্বজন ছাড়া থাকতে হবে। এই জন্য নিজের মনকে ঠিক রাখার জন্য এমন কিছু জিনিস সাথে নিতে হবে যেগুলো দেখলে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। যেমনঃ ফ্যামিলি ফটো এ্যালবাম, ডায়েরি, প্রিয় শিল্পীর গানের মেমরি কার্ড ও ছোট্ট এমপিথ্রি সাথে ভালো হেডফোন।
☞ প্রশিক্ষণকালীন সুযোগ সুবিধাঃ

ক. ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টবল (পুরুষ / মহিলা) প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে বিনামূল্যে পোশাক সামগ্রী থাকা-খাওয়া ও চিকিৎসা সুবিধা প্রাপ্য হবে।

খ. এছাড়াও প্রশিক্ষণকালীন প্রতি মাসে ৭৫০/- (সাতশত পঞ্চাশ) টাকা হরে প্রশিক্ষণ ভাতা প্রাপ্য হবে।

( বিদ্রঃ নিজের অতিরিক্ত হাত খরচের জন্য পকেট মানি সাথে নিতে হবে)

☞ ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার সময় যে সকল জিনিস পত্র নিয়ে যাবেন নাঃ
১। মোবাইল ফোন
২। নেশাজাতীয় দ্রব্য
৩। অতিরিক্ত কাপড়চোপড়
৪। জুয়া খেলার সামগ্রী

যারা ধূমপান করেন তারা ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার আগেই তা পরিত্যাগ করুন কারন ধূমপান করলে শ্বাসকষ্টের ফলে দৌড়াতে সমস্যা হয়। আর ট্রেনিং সেন্টারে ট্রেনিংয়ের চেয়ে দৌঁড়ের পরিমাণই বেশী।

উল্লেখঃ আরও কিছু বিষয় বাদ থাকলে পরবর্তীতে এই পোষ্টে যুক্ত করা হবে অথবা কমেন্ট দেখুন। সব রিক্রুট কনস্টেবলকে পোষ্টটি পড়ার জন্য শেয়ার করবেন।

লেখকঃ স্বাধীন হোসাইন

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..