1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
পেঁয়াজের কেজি ১৭ টাকা! - ডেইলি টেকনাফ
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঢাকা-১৪ আসনের এমপি আসলামের মৃত্যুতে সাবেক এমপি বদি’র শোক প্রকাশ লকডাউন অমান্য কারিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে টেকনাফ উপজেলা প্রসাশন Inauguration of office of Scrap Business Association in Teknaf in collaboration with Practical Action পাঠক শুনবেন কি? টেকনাফে প্রাকটিক্যাল এ্যাকশনের সহযোগিতায় স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ী সমিতির অফিস উদ্বোধন দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে সাবেক এমপি বদি দেশ’বাসীর কাছে দোয়া কামনা টেকনাফ সদর মৌলভী পাড়ার জোসনা বেগম গত ৫দিন ধরে নিখোঁজ,অভিযুক্ত রিয়াজের সন্ধান পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা টেকনাফে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১১ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা আদায় জনসমর্থনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করলেন নুর হোসেন চেয়ারম্যান টেকনাফে ৯৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

পেঁয়াজের কেজি ১৭ টাকা!

  • আপডেট টাইম বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৯

ডেইলি টেকনাফ ডেস্ক ::মিশর থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ ১৭ টাকারও কম দামে পৌঁছেছে চট্টগ্রামে। অথচ সেই পেঁয়াজ মাত্র এক-দুই হাত ঘুরে ক্রেতার কাছে পৌঁছবে ইচ্ছেমাফিক দামে। অপরদিকে মিয়ানমার থেকে আসা পেঁয়াজ চট্টগ্রামে পৌঁছেছে প্রতি কেজি ৩২ টাকায়। এই পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছিল ৮৫ টাকা দরে। ঢাকার দুই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মিয়ানমার ও মিশর থেকে আনা ৩ লাখ ১৯ হাজার কেজি পেঁয়াজের বিল অব এন্ট্রি এবং ইনভয়েস যাচাই করে উপরোক্ত চিত্র পাওয়া গেছে।

জানা যায়, ঢাকার ফারাসগঞ্জ রোডের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান জেনি এন্টারপ্রাইজ মিশর থেকে দুই চালানে ৯০ টন করে ১৮০ টন পেঁয়াজ নিয়ে আসে। প্রতিটি চালানের ইনভয়েস মূ্‌ল্য আসে ১৮ হাজার ডলার করে। সেই হিসেবে প্রতি টনে বুকিং রেট দাঁড়ায় ২০০ ডলার। প্রতি টন টাকার হিসেবে আসে ১৬ হাজার ৯০০ টাকা (প্রতি ডলার ৮৪.৫ টাকা)। অর্থাৎ আমদানিকারকের ১ কেজি পেঁয়াজ আমদানিতে খরচ আসে ১৬ টাকা ৮০ পয়সা। চালান দুটি খালাসে দায়িত্বপ্রাপ্ত সিঅ্যান্ডএফ হলো আগ্রাবাদ কমার্স কলেজ রোডের মারকো ইন্টারন্যাশনাল সিঅ্যান্ডএফ লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে ৩০ সেপ্টেম্বর। বিল অব এন্ট্রি নম্বর ১৫২৭৭৭১ ও ১৫৭৭৫০।
এছাড়া ঢাকার নর্থ ব্রুক হল রোডের আমদানিকারক হাফিজ কর্পোরেশন মিয়ানমার থেকে দুই চালানে ২৭.৯৪ টন ও ১১২ টন পিঁয়াজ আমদানি করে। চালান দুটির ইনভয়েস মূল্য ৪২ হাজার ৫৬০ ডলার ও ১০ হাজার ৫৯৪ ডলার। প্রতিকেজি আমদানিতে টাকার হিসেবে খরচ পড়ে ৩২ টাকা। চালান দুটি খালাসেও দায়িত্বপ্রাপ্ত সিঅ্যান্ডএফ ছিল মারকো ইন্টারন্যাশনাল সিঅ্যান্ডএফ লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে ২৬ সেপ্টেম্বর। বিল অব এন্ট্রি নম্বর ১৫১১৫৬৪ ও ১৫১১৫৭০।
কাগজপত্র যাচাই করে দেখা গেছে, মিয়ানমার থেকে আনা পেঁয়াজ সিঙ্গাপুর ঘুরে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে ৩২ টাকা দরে। অথচ গত দুদিন ধরে এই মানের মিয়ানমারের পেঁয়াজ চট্টগ্রামে বিক্রি হয়েছে ৮৫ টাকা দরে। গতকাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযানের পর এই পেঁয়াজ ৬৫ টাকা দরে বিক্রি করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। অপরদিকে মিশর থেকে আনা পেঁয়াজ চট্টগ্রামে পৌঁছেছে ১৭ টাকারও কমে। অথচ অভিযান না চালালে এই পেঁয়াজ বিক্রি হতো চড়া দামে। গতকাল অভিযানের সময় মিশরের কোনো পেঁয়াজ বাজারে ছিল না। আজকালের মধ্যে এই পেঁয়াজ বাজারে এলে দেখা যাবে ১৭ টাকার পেঁয়াজ কত টাকায় বিক্রি হয়। সূত্র: আজাদী

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..