1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
বছরশেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৫১ অর্জন - ডেইলি টেকনাফ
সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে সাবেক এমপি বদি’র শোক! প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শোক কক্সবাজারে কাউন্সিলর কাজি মোরশেদ আহমদ বাবুর মৃত‍্যুতে নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শোক প্রকাশ ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না কক্সবাজারসহ টেকনাফের লবণ চাষীরা টেকনাফে সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত অমর একুশের ভাষা শহীদদের প্রতি নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রতি হিংসা নয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উঠে আসুক তৃণমূলের অবহেলিত নতুন নেতৃত্ব: শাওন আরমান টেকনাফে বিজিবির মালিকবিহীন ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফে সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন টেকনাফ পৌরসভায় মূলধন বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রস্তুতি কর্মশালা সভা অনুষ্ঠিত

বছরশেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৫১ অর্জন

  • আপডেট টাইম সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯

নিউজ ডেস্ক :: চলতি বছরে(২০১৯) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি, শিক্ষা আইন চূড়ান্ত, মাদ্রাসা শিক্ষা আইন প্রনয়ন সহশিক্ষাখাতে সাধুবাদ পাওয়ার মতো বেশকিছু সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে শিক্ষা মন্ত্রনালয়। শিক্ষাবান্ধব এসকল অর্জন সর্বমহলেইতিবাচক নজরে এসেছে এবং সুনামও পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এছাড়াও প্রশ্ন ফাঁসের কলঙ্ক থেকে বের হয়ে এসেছে দেশের শিক্ষা মন্ত্রনালয়। বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর এ মন্ত্রনালয়ের নতুন মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহনকরেন ডা: দিপু মনি এবং উপমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব লাভ করেন মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। মূলত নতুন দু’জন মন্ত্রীত্বের নৈপূন্যে ২০১৯ সালটি ছিলো সরকারের শিক্ষাবান্ধব সাফল্যের একটি বছর।

সারা বছর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৫১টি ইতিবাচক অর্জন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তি নিম্নে তুলে ধরা হলো:

১) সবচেয়ে বড় অর্জন নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি। বিগত প্রায় ১০ বছর বন্ধ থাকার পর এবছর একসঙ্গে এমপিওভুক্তকরা হয়েছে ২ হাজার ৭৩০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

২) চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী পাঠ্যক্রম যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে পরিমার্জনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

৩) পাবলিক ও বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়সহ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক নিয়োগে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণকরে বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

৪) ২০২০ সাল থেকে ৬ষ্ঠ–৮ম শ্রেণি পর্যন্ত ৬৪০ স্কুলে কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করা এবং ২০২১ সাল থেকে মাধ্যমিকের সব ক্লাসেকারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

৫) প্রশ্নফাঁস ও গুজব প্রতিরোধ করা এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করাহয়েছে।

৬) শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে ১৩ হাজার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার নতুন ভবনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু করা হয়েছে।

৭) শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে ২ হাজার ৪৯৪ জন নতুন জনবল অর্গানোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

৮) শিক্ষার মান উন্নয়নে অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে।

৯) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিয়েশন ও অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করা হয়েছে।

১০) হবিগঞ্জ ও চাঁদপুরে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

১১) মাদ্রাসা বোর্ড আইন–২০১৯ পাস করা হয়েছে।

১২) ১০ বছর ধরে ঝুলে থাকা শিক্ষা আইন চূড়ান্ত করা হয়েছে।

১৩) খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

১৪) কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কার্যকর বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

১৫) জিপিএ গ্রেডিং সিস্টেমে সমন্বয় করা। সারাবিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জিপিএ–৫’র পরিবর্তে জিপিএ–৪ প্রবর্তণের উদ্যোগ গ্রহণকরা হয়েছে।

১৬) একাদশ শ্রেণির ৩০ লাখ পাঠ্যপুস্তক যথাসময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো হয়েছে।

১৭) হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নির্যাতন রোধে কমিটি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

১৮) র‌্যাগিং প্রতিরোধে অ্যান্টি বুলিং বিধিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

১৯) বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কর্নার’ চালু করা হয়েছে।

২০) ধারাবাহিক মূল্যায়ন পদ্ধতি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে একটি সফল পাইলটিং প্রজেক্ট সম্পন্ন হয়েছে এবং ২০২০ সালে মাধ্যমিকপর্যায়ে তিনটি বিষয়ে (শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, চারু ও কারু, কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা) ধারাবাহিক মূল্যায়ন পদ্ধতি কার্যকর করাহবে। অন্যান্য বিষয়ে শতকরা ২০ ভাগ নম্বর ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে দেওয়া হবে। এ উদ্দেশ্যে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির সবশিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে দুইটি ডায়েরি সরবরাহের কাজ শুরু হয়েছে।

২১) বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ২য় গ্রেডের ৩টি পদ সৃজন এবং ৩য় গ্রেডে ৯৮টি পদ আপগ্রেড করা হয়েছে। এছাড়াও ২য়ও ৩য় গ্রেডের আরও ৩৩৫ পদ সৃজন, আপগ্রেডের কাজ চলমান রয়েছে। অভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ১২ হাজার ৫০০টি পদ সৃজনেরকার্যক্রমের কাজ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

২২) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের নিয়োগের জটিলতার আংশিক অবসান ঘটিয়ে ৭০২ জনচাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

২৩) সব সরকারি কলেজকে ই–ফাইলিংয়ের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

২৪) সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মনিটরিং করার জন্যে মাঠ পর্যায়ের মনিটরিং ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে এইমনিটরিংয়ের ফলে অতি দ্রুত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শৃংঙ্খলা ফিরে আসবে।

২৫) সারাদেশের মাধ্যমিক স্কুলে আকস্মিক পরিদর্শন চালু করা হয়েছে এতে বিনা অনুমতিতে শিক্ষকদের কর্মস্থলে অনুপস্থিতিরহার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।

২৬) সারাদেশে ২০ হাজার স্কুলে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে।

২৭) উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।

২৮) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের বিরাজমান সমস্যা সমাধান করা হয়েছে।

২৯) কলেজগুলোর চাহিদা পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৩০) স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসার বেতনকাঠামো কারার জন্য নীতিমালা চূড়ান্ত করা।

৩১) স্কুল ও কলেজ শিক্ষক আত্মীকরণ বিধিমালা প্রণয়ন।

৩২) বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা।

৩৩) বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অটিজম অ্যাকাডেমি স্থাপনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন হয়েছে।

৩৪) বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর সুবিধা সহজীকরণ করা হয়েছে।

৩৫) দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি এবং পাঠদানের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

৩৬) কওমি মাদ্রাসার পাঠ্যসূচিতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৩৭) শিক্ষার্থীদের আমিষের ঘাটতি মেটাতে পরিপত্র জারি করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ৬০০০ স্কুলে মিড–ডে মিল চালু করাহয়েছে। ২০২০ সালে পর্যায়ক্রমে সব স্কুলে মিড–ডে মিল চালু করা হবে।

৩৮) বন্ধ থাকা শিক্ষা বৃত্তিগুলো চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৩৯) মাঠ পর্যায়ের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে স্বাস্থ্য এবং পুষ্টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

৪০) প্রতিটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য মনিটরিং করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক স্কুলে ওজন ও উচ্চতা মাপার যন্ত্র কেনা হবে।

৪১) রিপ্রোডাকটিভ হেলথ ও জেন্ডার ইকুইটি বিষয়ে সব স্কুলে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৪২) পারিবারিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সব স্কুলে কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

৪৩) মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বয়স বিবেচনা করে পুষ্টিকর খাদ্য তালিকা সব অভিভাবকদের হাতে পৌঁছানোর ব্যবস্থানেওয়া হয়েছে।

৪৪) কো–এডুকেশন চালু আছে যেসব স্কুলে, সেসব স্কুলে ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য আলাদা ওয়াশ ব্লক তৈরি করা হয়েছে।

৪৫) শিক্ষার্থীরা যেন বিদ্যালয়ে খেলাধুলা ও শরীরচর্চা করার সুযোগ এবং প্রণোদনা পায় তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

৪৬) ২০১৯ সালে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধকে জানো’ শীর্ষক একটি প্রজেক্ট ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অত্যন্তসফলভাবে সম্পন্ন করেছে। প্রজেক্টের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধভাবে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ শীর্ষক প্রায় লাখ খানেক রিপোর্টও ডকুমেন্টারি তৈরি করেছে।

৪৭) প্রজেক্টের মাধ্যমে ২০২০ সাল থেকে শিক্ষার্থীদের ৭টি সফট স্কিলে দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সফটস্কিলগুলো হলো–

সৃজনশীলতা, নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা, কর্মক্ষমতা, উপযোগীকরণ ও  স্বাস্থ্য। এগুলো ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করাহবে।

৪৮) প্রতি বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের দিয়ে শিক্ষাঙ্গন পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

৪৯) শতবর্ষী ১৩টি কলেজকে ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৫০) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেওয়াল ঘেঁষে সিগারেটের দোকান না রাখার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

৫১) নীতি শিক্ষার অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে ‘সততা স্টোর’ চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব স্কুল–কলেজে ‘সততাস্টোর’ চালু করা হবে।

 

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..