1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপের সাজানো ৬টি মামলায় প্রায় এক বছর জেল খেটে মুক্তি পেলেন সংবাদকর্মী ফরিদুল মোস্তফা খাঁন। - ডেইলি টেকনাফ
রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঢাকা-১৪ আসনের এমপি আসলামের মৃত্যুতে সাবেক এমপি বদি’র শোক প্রকাশ লকডাউন অমান্য কারিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে টেকনাফ উপজেলা প্রসাশন Inauguration of office of Scrap Business Association in Teknaf in collaboration with Practical Action পাঠক শুনবেন কি? টেকনাফে প্রাকটিক্যাল এ্যাকশনের সহযোগিতায় স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ী সমিতির অফিস উদ্বোধন দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে সাবেক এমপি বদি দেশ’বাসীর কাছে দোয়া কামনা টেকনাফ সদর মৌলভী পাড়ার জোসনা বেগম গত ৫দিন ধরে নিখোঁজ,অভিযুক্ত রিয়াজের সন্ধান পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা টেকনাফে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১১ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা আদায় জনসমর্থনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করলেন নুর হোসেন চেয়ারম্যান টেকনাফে ৯৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপের সাজানো ৬টি মামলায় প্রায় এক বছর জেল খেটে মুক্তি পেলেন সংবাদকর্মী ফরিদুল মোস্তফা খাঁন।

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০

নিউজ ডেস্ক :: সিনহা হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামী বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নির্যাতন এবং সাজানো মামলায় জেলে যাওয়া স্থানীয় এক সংবাদকর্মী জামিনে কারামুক্তি পেয়েছেন। ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি ফরিদুল মোস্তফা খান দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস ৫ দিন কারাভোগের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। জামিনে কারামুক্ত হয়ে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান।

কারামুক্ত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান বলেন, তৎকালীন টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশের ক্রসফায়ার কর্মকান্ড নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করায় ক্ষুব্ধ হয় ওসি প্রদীপ। গত বছরের ৩০ জুন ফরিদুল মোস্তফা খানের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় চাঁদাবাজি মামলা রুজু হয়। এরপর তাকে পুলিশ হন্য হয়ে খোঁজতে থাকে। প্রদীপ কুমার দাশের সাজানো মামলা ও হুমকিতে আত্মরক্ষায় ঢাকায় আত্মগোপনে চলে যায় ফরিদুল মোস্তফা। নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শক বরাবর গত বছরের ২৮ জুলাই পৃথক আবেদন করেন। এর পর তার বিরুদ্ধে আরো ২টি মামলা দায়ের করে পুলিশ। ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুরের বাসা থেকে টেকনাফ থানা ও কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম মিরপুর থানার পুলিশের সহায়তায় ‘ওয়ারেন্ট’ দেখিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। এরপর কক্সবাজার শহরের সমিতি পাড়ার বাড়িতে তাকে নিয়ে গিয়ে গভীর রাতে কথিত অভিযান চালানো হয়। ওই সময় গুলিসহ ২টি অস্ত্র, ৪ হাজার ইয়াবা ও বিপুল পরিমান বিদেশী মদের বোতল উদ্ধার দেখিয়ে তাকে বর্বর নির্যাতন করে। আরো ৩টি মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিষয়টি অনুধাবন করে একের পর এক ৬টি মামলা থেকে তাকে জামিন দেন।

সুত্র::আলোকিত টেকনাফ

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..