1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপের সাজানো ৬টি মামলায় প্রায় এক বছর জেল খেটে মুক্তি পেলেন সংবাদকর্মী ফরিদুল মোস্তফা খাঁন। - ডেইলি টেকনাফ
সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
টেকনাফ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে মোঃ আলমগীরকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবরাং ইউ,পি ছাত্রলীগের সাঃসম্পাদক নজরুল ইসলামের খোলা চিঠি টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা,আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের প্রতিবাদ ও নিন্দা টেকনাফ উপজেলা আ.লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব এজাহার মিয়ার নববর্ষের শুভেচ্ছা সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালামের নতুন বছরের শুভেচ্ছা অসুস্থ ছেনোয়ারার চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা দান করলেন টেকনাফ পৌর মেয়র হাজ্বী মোহাম্মদ ইসলাম ঈদগাঁওতে সাংবাদিককে মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে দুই বাংলা অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের মানববন্ধন টেকনাফ পৌরসভায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সাড়ে ৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প পরিদর্শন করেন শেখ মুজাক্কা জাহের বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে ২লাখ ৭০হাজার ইয়াবাসহ ট্রলার জব্দ সাবরাং ইউনিয়ন কৃষকলীগের ১-৯ ওয়ার্ডের কমিটি অনুমোদন সভা সম্পন্ন

বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপের সাজানো ৬টি মামলায় প্রায় এক বছর জেল খেটে মুক্তি পেলেন সংবাদকর্মী ফরিদুল মোস্তফা খাঁন।

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০

নিউজ ডেস্ক :: সিনহা হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামী বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নির্যাতন এবং সাজানো মামলায় জেলে যাওয়া স্থানীয় এক সংবাদকর্মী জামিনে কারামুক্তি পেয়েছেন। ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি ফরিদুল মোস্তফা খান দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস ৫ দিন কারাভোগের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। জামিনে কারামুক্ত হয়ে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান।

কারামুক্ত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান বলেন, তৎকালীন টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশের ক্রসফায়ার কর্মকান্ড নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করায় ক্ষুব্ধ হয় ওসি প্রদীপ। গত বছরের ৩০ জুন ফরিদুল মোস্তফা খানের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় চাঁদাবাজি মামলা রুজু হয়। এরপর তাকে পুলিশ হন্য হয়ে খোঁজতে থাকে। প্রদীপ কুমার দাশের সাজানো মামলা ও হুমকিতে আত্মরক্ষায় ঢাকায় আত্মগোপনে চলে যায় ফরিদুল মোস্তফা। নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শক বরাবর গত বছরের ২৮ জুলাই পৃথক আবেদন করেন। এর পর তার বিরুদ্ধে আরো ২টি মামলা দায়ের করে পুলিশ। ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুরের বাসা থেকে টেকনাফ থানা ও কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম মিরপুর থানার পুলিশের সহায়তায় ‘ওয়ারেন্ট’ দেখিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। এরপর কক্সবাজার শহরের সমিতি পাড়ার বাড়িতে তাকে নিয়ে গিয়ে গভীর রাতে কথিত অভিযান চালানো হয়। ওই সময় গুলিসহ ২টি অস্ত্র, ৪ হাজার ইয়াবা ও বিপুল পরিমান বিদেশী মদের বোতল উদ্ধার দেখিয়ে তাকে বর্বর নির্যাতন করে। আরো ৩টি মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিষয়টি অনুধাবন করে একের পর এক ৬টি মামলা থেকে তাকে জামিন দেন।

সুত্র::আলোকিত টেকনাফ

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..