1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কক্সবাজারে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযানে নামলেন পুলিশ সুপার ফ্রান্সে মহানবী(সঃ)এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদ ও পণ্য বর্জনের আহবনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত। নুর হোসেন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন সাবরাংবাসীর জন‍্যে রঙের মানুষ | অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মাহমুদ টেকনাফ প্রেসক্লাব ভবন পুনঃনির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম। টেকনাফ পৌরসভায় ২শ জেলে পরিবারে প্রধানমন্ত্রীর উপহার চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র। পুলিশ জনবান্ধব হয়ে সেবা নিশ্চিত করতে চান-পুলিশ সুপার হাসান টেকনাফে প্রতীমা বিসর্জন উৎসব সম্পন্ন। টেকনাফে কৃষকলীগের সম্মেলন কমিটি গঠিত। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সাংবাদিকদের কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার

বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপের সাজানো ৬টি মামলায় প্রায় এক বছর জেল খেটে মুক্তি পেলেন সংবাদকর্মী ফরিদুল মোস্তফা খাঁন।

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০

নিউজ ডেস্ক :: সিনহা হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামী বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নির্যাতন এবং সাজানো মামলায় জেলে যাওয়া স্থানীয় এক সংবাদকর্মী জামিনে কারামুক্তি পেয়েছেন। ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি ফরিদুল মোস্তফা খান দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস ৫ দিন কারাভোগের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। জামিনে কারামুক্ত হয়ে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান।

কারামুক্ত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান বলেন, তৎকালীন টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশের ক্রসফায়ার কর্মকান্ড নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করায় ক্ষুব্ধ হয় ওসি প্রদীপ। গত বছরের ৩০ জুন ফরিদুল মোস্তফা খানের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় চাঁদাবাজি মামলা রুজু হয়। এরপর তাকে পুলিশ হন্য হয়ে খোঁজতে থাকে। প্রদীপ কুমার দাশের সাজানো মামলা ও হুমকিতে আত্মরক্ষায় ঢাকায় আত্মগোপনে চলে যায় ফরিদুল মোস্তফা। নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শক বরাবর গত বছরের ২৮ জুলাই পৃথক আবেদন করেন। এর পর তার বিরুদ্ধে আরো ২টি মামলা দায়ের করে পুলিশ। ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুরের বাসা থেকে টেকনাফ থানা ও কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম মিরপুর থানার পুলিশের সহায়তায় ‘ওয়ারেন্ট’ দেখিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। এরপর কক্সবাজার শহরের সমিতি পাড়ার বাড়িতে তাকে নিয়ে গিয়ে গভীর রাতে কথিত অভিযান চালানো হয়। ওই সময় গুলিসহ ২টি অস্ত্র, ৪ হাজার ইয়াবা ও বিপুল পরিমান বিদেশী মদের বোতল উদ্ধার দেখিয়ে তাকে বর্বর নির্যাতন করে। আরো ৩টি মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিষয়টি অনুধাবন করে একের পর এক ৬টি মামলা থেকে তাকে জামিন দেন।

সুত্র::আলোকিত টেকনাফ

আপনার মন্তব্য দিন
এ জাতীয় আরো খবর..