1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
‘বাংলা চ্যানেল’ পাড়ি দিলেন বিদেশি সাঁতারু - ডেইলি টেকনাফ
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঢাকা-১৪ আসনের এমপি আসলামের মৃত্যুতে সাবেক এমপি বদি’র শোক প্রকাশ লকডাউন অমান্য কারিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে টেকনাফ উপজেলা প্রসাশন Inauguration of office of Scrap Business Association in Teknaf in collaboration with Practical Action পাঠক শুনবেন কি? টেকনাফে প্রাকটিক্যাল এ্যাকশনের সহযোগিতায় স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ী সমিতির অফিস উদ্বোধন দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে সাবেক এমপি বদি দেশ’বাসীর কাছে দোয়া কামনা টেকনাফ সদর মৌলভী পাড়ার জোসনা বেগম গত ৫দিন ধরে নিখোঁজ,অভিযুক্ত রিয়াজের সন্ধান পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা টেকনাফে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১১ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা আদায় জনসমর্থনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করলেন নুর হোসেন চেয়ারম্যান টেকনাফে ৯৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

‘বাংলা চ্যানেল’ পাড়ি দিলেন বিদেশি সাঁতারু

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯

মিজানুর রহমান মিজান।

এবার ‘বাংলা চ্যানেল’ পাড়ি দিলেন বিদেশি সাঁতারু মুকেশ। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় সেন্টমার্টিন বঙ্গোপসাগর নিয়ে এই বাংলা চ্যানেলের অবস্থান।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ১৬.১ কিলোমিটার সমুদ্রপথ পাড়ি দিতে সাঁতার শুরু করে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে সেন্টমার্টিন পৌঁছান মুকেশ।

এতে মুকেশের সময় লাগে ৪ ঘণ্টা ৮ মিনিট। বিদেশি সাঁতারু মুকেশ বাংলা চ্যানেল জয় দিয়ে চ্যানেল সুইমিং বা লং ডিসটেন্স ওপেন ওয়াটার সি সুইমিংয়ের এলিট ক্লাবে নাম লেখালেন। এর ফলে কাজী হামিদুল হকের প্রচেষ্টায় শুরু হওয়া বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ১৪তম বছরে জয়ীদের তালিকায় ভারতীয় দূরপাল্লার সাঁতারু মুকেশ গুপ্ত।

Save Water–Save Tree (জল বাঁচাও-গাছ বাঁচাও) এই স্লোগান নিয়ে কলকাতার মুকেশ এবার সাঁতরিয়ে পাড়ি দেন বাংলা চ্যানেলের টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ জেটি থেকে সেন্টমার্টিন জেটির ১৬.১ কিলোমিটার পথ।

জলবায়ু পরিবর্তন ও মানব সৃষ্ট দূষণের কবলে ভূ-উপরস্থ পানি ও গাছপালা চরম সংকটের প্রহর থেকে একটু সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে এই সংকট রোধ করা সম্ভব, এই বিশ্বাস থেকেই তার এই দুঃসাহসিক বাংলা চ্যানেল সাঁতার বলে জানান মুকেশ গুপ্ত।

২১ বছর বয়সী দুরন্ত-ডানপিঠে স্বভাবের মুকেশ গুপ্ত পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার ব্রিজে অসংখ্যবার ব্রিজ জাম্পিং করেছেন। কেবল হাওড়া ব্রিজ থেকেই ৩২ বার জাম্প দেওয়ার রেকর্ড রয়েছে তার। আগামীতে আন্ত মহাসাগরীয় কায়াকিং, ভারতীয় চ্যানেলসহ আরও নতুন ও দুঃসাহসিক দূরপাল্লার সাঁতারের পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন মুকেশ গুপ্ত।

এভারেস্ট অ্যাকাডেমির আয়োজনে, মুকেশের এই সাঁতার অভিযানে দিক নির্দেশনায় ছিলেন সাঁতার প্রশিক্ষক ও মেন্টর কলকাতার পুষ্পেন সামান্থ। রেফারির দায়িত্বে ফিফা রেফারি তোফাজ্জল হোসেন বাচ্চু এবং নেভিগেটর ছিলেন রাফাহ উদ্দিন সিরাজী।

এই সাঁতারের সহযোগিতায় ছিলেন নর্থ আলপাইন ক্লাব বাংলাদেশ, ট্যুর অপারেটর এলিগ্রো ট্যুরস, মেডিকেল সাপোর্ট এ হেলদি হোম বিডির ডা. মাহমুদুল হাসান খান, লাইফ গার্ড ছিলেন সি আই পি আর বি এর সি সেফ সুইমিংয়ের মো. কামাল।

তবে প্রতি বছর দেশি-বিদেশি অনেক সাঁতারু বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে তালিকায় নাম লিখিয়েছেন এবং এই চ্যানেল জয়ের পরিকল্পনা করছেন। বিশ্বের যে কোনো সি চ্যানেলের তুলনায়, বাংলা চ্যানেল অনেক বেশি আকর্ষণীয় ও নিরাপদ বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ১৪ জানুয়ারি বাংলা চ্যানেলের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এটির স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন প্রয়াত কাজী হামিদুল হক। যিনি নিজেও একজন বিখ্যাত আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার ও স্কুবা ডাইভার এবং নানাবিধ অ্যাডভেঞ্চারের সাথে জড়িত ছিলেন। তার তত্ত্বাবধানেই প্রথমবারের মতো ফজলুল কবির সিনা, লিপটন সরকার এবং সালমান সাঈদ ‘বাংলা চ্যানেল’ পাড়ি দেন। এরপর থেকে প্রতিবছরই এই আয়োজন হয়ে আসছে এবং জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি লাভ করেছে।

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..