1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে অপহৃত মেয়েকে উদ্ধার করল মা - ডেইলি টেকনাফ
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঢাকা-১৪ আসনের এমপি আসলামের মৃত্যুতে সাবেক এমপি বদি’র শোক প্রকাশ লকডাউন অমান্য কারিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে টেকনাফ উপজেলা প্রসাশন Inauguration of office of Scrap Business Association in Teknaf in collaboration with Practical Action পাঠক শুনবেন কি? টেকনাফে প্রাকটিক্যাল এ্যাকশনের সহযোগিতায় স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ী সমিতির অফিস উদ্বোধন দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে সাবেক এমপি বদি দেশ’বাসীর কাছে দোয়া কামনা টেকনাফ সদর মৌলভী পাড়ার জোসনা বেগম গত ৫দিন ধরে নিখোঁজ,অভিযুক্ত রিয়াজের সন্ধান পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা টেকনাফে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১১ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা আদায় জনসমর্থনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করলেন নুর হোসেন চেয়ারম্যান টেকনাফে ৯৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে অপহৃত মেয়েকে উদ্ধার করল মা

  • আপডেট টাইম শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ডেস্ক নিউজঃ-কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে রিনা (৯) নামে এক শিশুর নিখোঁজের দুই সপ্তাহের মাথায় ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে তাকে উদ্ধার করেছে তার মা রহিমা খাতুন।

তবে, শিশু রিনার পরিবারের অভিযোগ, রিনাকে সাইফুল নামের এক ব্যক্তি মাদক পাচারের কাজে ব্যবহারের জন্যই অপহরণ করেছিল।
উদ্ধারকৃত শিশু রিনা কক্সবাজার সমিতি পাড়ার মসজিদ গেইট এলাকার আব্দুর রহিমের মেয়ে ও কক্সবাজারের একটি কিন্ডার গার্টেনের কেজি শ্রেণির ছাত্রী।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে অপহৃত মেয়েকে উদ্ধার করেন রহিমা খাতুন। এ ঘটনায় থানা পুলিশের নিরব ভূমিকা ছিল বলে জানা গেছে।

শিশুটির পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় গত ৩০ আগস্ট বিকাল ৫টার দিকে রিনা বড় বোন রুমা আক্তারে সঙ্গে সমুদ্র সৈকতে পানির বোতল বিক্রি করতে যায়। ওই দিন রাত ১০টার দিকে রুমা ছোট বোন রিনাকে ছাড়াই বাড়িতে ফিরে আসলে রাতেই সৈকতের বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান মেলেনি তার। এর পরদিন স্থানীয় আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজ-খবর নেওয়া হলে তাতেও কেউ তার সন্ধান দিতে পারেনা। অবশেষে ৩ সেপ্টেম্বর রিনার মা রহিমা খাতুন বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় নিখোঁজের একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

পরবর্তীতে রিনার এক প্রতিবেশী তাকে শহরের খুরুশখুল এলাকার চৌধুরী ভবন সংলগ্ন এলাকায় দেখলে তার পরিবারকে জানায়। বিষয়টি জানার পর রিনার মা ওই এলাকায় ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর অবশেষে বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) চৌধুরী ভবনের পেছনে সাইফুল নামক এক ব্যক্তির বাড়িতে ছদ্মবেশে ভিক্ষা করতে যান। এ সময় কৌশলে বাড়ির কাপড়-চোপড় ধোঁয়ার বাহানায় অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে সেখানে অপহৃত রিনার সন্ধান পান তিনি। এক পর্যায়ে বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হয়ে গেলে ৪টার দিকে রিনাকে তার মা বাড়িতে নিয়ে আসে।

অপহৃত রিনা জানায়, গত ৩০ আগস্ট সাইফুল ও তার স্ত্রীসহ সৈকতে ঘুরতে আসলে রিনার কাছ থেকে একটি পানির বোতল কেনেন। এ সময় রিনার সঙ্গে কৌশলে ভাব জমিয়ে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে ওই রাতেই রিনাকে বাড়িতে নিয়ে যায় তারা। বাড়িতে নেওয়ার পরে রিনা নিজ বাড়িতে ফেরার জন্য কান্নাকাটি করলে তাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে তাকে দিয়ে বাড়ির যাবতীয় কাজকর্ম করাতে বাধ্য করে তারা। রিনা আরও জানায়, গতকাল সন্ধ্যায় রিনাকে তাদের সঙ্গে কক্সবাজার থেকে ফ্লাইটযোগে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার আগেই তার মা ওই বাড়িতে পৌঁছায়।
থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরি (ছবি : দৈনিক অধিকার)

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত সাইফুলের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কল করেও ফোন রিসিভ করেননি তিনি।

এ দিকে, স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সাইফুল ইয়াবা কারবারের সঙ্গে জড়িত। ধারণা করা হচ্ছে মাদক পাচার কাজে ব্যবহারের জন্যই রিনাকে অপহরণ করা হয়ে থাকতে পারে।
একই সঙ্গে নিখোঁজের ১০ দিন অতিবাহিত হলেও থানা পুলিশের নিরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শিশু রিনার পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের কাছে বারবার ধর্ণা দেওয়ার পরও পুলিশের কোনো সহযোগিতা পায়নি তারা।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার মডেল থানার সাব ইন্সপেক্টর সাইফুলের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, অপহৃত রিনাকে উদ্ধার করে তার মা রহিমা বৃহস্পতিবার থানায় নিয়ে আসে। এ সময় তদের কাছ থেকে অভিযুক্ত সাইফুলের নাম্বার নিয়ে তাকে থানায় ডাকা হলেও তিনি আসেননি। এ বিষয়ে সাইফুলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সুত্রঃ- দৈনিক অধিকার

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..