1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০২:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
চকরিয়ায় যাত্রীবাহি নাইট কোচে ডাকাতি : গুলিবিদ্ধ-১৫,আহত ৩ একজন শিক্ষক মুক্তিযোদ্ধার ইতি কথা টেকনাফের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সমসাময়িক ভাবনা টেকনাফে শাহপরীর দ্বীপের বেড়িবাধ পুনঃনির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শন করেন এমপি শাওন। হোয়াইক্যং নয়াবাজারের মহিয়সী নারী শামসুন নাহারের ২২তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ মাওলানা গোলাম সারোয়ার সাঈদীর ইন্তেকাল শাহ্পরীর দ্বীপে হতদরিদ্রদের মাঝে(IOM)সংস্থার নগদ ৩৫ হাজার টাকা বিতরণ উদ্বোধন করেন নুর হোসেন চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের মৃত্যুতে টেকনাফ উপজেলা রেন্ট-এ কার,নোহা,মাইক্রো মালিক সমবায় সমিতির শোক প্রকাশ ইসলামপুর ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ সাংবাদিক শাহাজাহান শাহীন ভাল থেকো আব্বু

ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে অপহৃত মেয়েকে উদ্ধার করল মা

  • আপডেট টাইম শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ডেস্ক নিউজঃ-কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে রিনা (৯) নামে এক শিশুর নিখোঁজের দুই সপ্তাহের মাথায় ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে তাকে উদ্ধার করেছে তার মা রহিমা খাতুন।

তবে, শিশু রিনার পরিবারের অভিযোগ, রিনাকে সাইফুল নামের এক ব্যক্তি মাদক পাচারের কাজে ব্যবহারের জন্যই অপহরণ করেছিল।
উদ্ধারকৃত শিশু রিনা কক্সবাজার সমিতি পাড়ার মসজিদ গেইট এলাকার আব্দুর রহিমের মেয়ে ও কক্সবাজারের একটি কিন্ডার গার্টেনের কেজি শ্রেণির ছাত্রী।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে অপহৃত মেয়েকে উদ্ধার করেন রহিমা খাতুন। এ ঘটনায় থানা পুলিশের নিরব ভূমিকা ছিল বলে জানা গেছে।

শিশুটির পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় গত ৩০ আগস্ট বিকাল ৫টার দিকে রিনা বড় বোন রুমা আক্তারে সঙ্গে সমুদ্র সৈকতে পানির বোতল বিক্রি করতে যায়। ওই দিন রাত ১০টার দিকে রুমা ছোট বোন রিনাকে ছাড়াই বাড়িতে ফিরে আসলে রাতেই সৈকতের বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান মেলেনি তার। এর পরদিন স্থানীয় আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজ-খবর নেওয়া হলে তাতেও কেউ তার সন্ধান দিতে পারেনা। অবশেষে ৩ সেপ্টেম্বর রিনার মা রহিমা খাতুন বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় নিখোঁজের একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

পরবর্তীতে রিনার এক প্রতিবেশী তাকে শহরের খুরুশখুল এলাকার চৌধুরী ভবন সংলগ্ন এলাকায় দেখলে তার পরিবারকে জানায়। বিষয়টি জানার পর রিনার মা ওই এলাকায় ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর অবশেষে বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) চৌধুরী ভবনের পেছনে সাইফুল নামক এক ব্যক্তির বাড়িতে ছদ্মবেশে ভিক্ষা করতে যান। এ সময় কৌশলে বাড়ির কাপড়-চোপড় ধোঁয়ার বাহানায় অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে সেখানে অপহৃত রিনার সন্ধান পান তিনি। এক পর্যায়ে বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হয়ে গেলে ৪টার দিকে রিনাকে তার মা বাড়িতে নিয়ে আসে।

অপহৃত রিনা জানায়, গত ৩০ আগস্ট সাইফুল ও তার স্ত্রীসহ সৈকতে ঘুরতে আসলে রিনার কাছ থেকে একটি পানির বোতল কেনেন। এ সময় রিনার সঙ্গে কৌশলে ভাব জমিয়ে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে ওই রাতেই রিনাকে বাড়িতে নিয়ে যায় তারা। বাড়িতে নেওয়ার পরে রিনা নিজ বাড়িতে ফেরার জন্য কান্নাকাটি করলে তাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে তাকে দিয়ে বাড়ির যাবতীয় কাজকর্ম করাতে বাধ্য করে তারা। রিনা আরও জানায়, গতকাল সন্ধ্যায় রিনাকে তাদের সঙ্গে কক্সবাজার থেকে ফ্লাইটযোগে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার আগেই তার মা ওই বাড়িতে পৌঁছায়।
থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরি (ছবি : দৈনিক অধিকার)

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত সাইফুলের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কল করেও ফোন রিসিভ করেননি তিনি।

এ দিকে, স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সাইফুল ইয়াবা কারবারের সঙ্গে জড়িত। ধারণা করা হচ্ছে মাদক পাচার কাজে ব্যবহারের জন্যই রিনাকে অপহরণ করা হয়ে থাকতে পারে।
একই সঙ্গে নিখোঁজের ১০ দিন অতিবাহিত হলেও থানা পুলিশের নিরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শিশু রিনার পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের কাছে বারবার ধর্ণা দেওয়ার পরও পুলিশের কোনো সহযোগিতা পায়নি তারা।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার মডেল থানার সাব ইন্সপেক্টর সাইফুলের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, অপহৃত রিনাকে উদ্ধার করে তার মা রহিমা বৃহস্পতিবার থানায় নিয়ে আসে। এ সময় তদের কাছ থেকে অভিযুক্ত সাইফুলের নাম্বার নিয়ে তাকে থানায় ডাকা হলেও তিনি আসেননি। এ বিষয়ে সাইফুলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সুত্রঃ- দৈনিক অধিকার

আপনার মন্তব্য দিন
এ জাতীয় আরো খবর..