1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
মা'বাবার প্রতি সদয় ব্যবহার নিয়ে মহানবী(সঃ)এর শিক্ষা। - ডেইলি টেকনাফ
বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শক্তিশালী রামুকে হারিয়ে ইতিহাসের প্রথমবার ফাইনালে টেকনাফ টেকনাফ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে মোঃ আলমগীরকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবরাং ইউ,পি ছাত্রলীগের সাঃসম্পাদক নজরুল ইসলামের খোলা চিঠি টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা,আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের প্রতিবাদ ও নিন্দা টেকনাফ উপজেলা আ.লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব এজাহার মিয়ার নববর্ষের শুভেচ্ছা সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালামের নতুন বছরের শুভেচ্ছা অসুস্থ ছেনোয়ারার চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা দান করলেন টেকনাফ পৌর মেয়র হাজ্বী মোহাম্মদ ইসলাম ঈদগাঁওতে সাংবাদিককে মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে দুই বাংলা অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের মানববন্ধন টেকনাফ পৌরসভায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সাড়ে ৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প পরিদর্শন করেন শেখ মুজাক্কা জাহের বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে ২লাখ ৭০হাজার ইয়াবাসহ ট্রলার জব্দ

মা’বাবার প্রতি সদয় ব্যবহার নিয়ে মহানবী(সঃ)এর শিক্ষা।

  • আপডেট টাইম রবিবার, ১০ মার্চ, ২০১৯

মা বাবার প্রতি সম্মান বা সদয় ব্যবহার নিয়ে মহানবী(সঃ)এ-র শিক্ষাঃ

সম্পাদনাঃ মিজানুর রহমান মিজান

নবীজি (সাঃ) একদিন অনেকগুলো কবর দেখে হঠাৎ একটা কবরের সামনে গেলেন…

অনেকগুলো কবর দেখে – নবীজি (সাঃ) অনেকগুলো কবর দেখলেন। খুশী হলেন। শেষমেশ একটা কবরের সামনে গেলেন। উনার চেহারা মুবারকে ঘাম দেখা দিল। তিনি অস্থির হয়ে পড়লেন। দুঃচিন্তায় চেহারা কালো হয়ে উঠল। হয়রান পেরেশান হয়ে গেলেন তিনিএকজন সাহাবী (রাঃ) উনার অবস্থা দেখে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এত পেরেশান কেন? তিনি অস্থির হয়ে বললেন, ‘এই কবরের বাসিন্দার উপর ভয়ানক আযাব হচ্ছে। এমনই শাস্তি যা ভাষায় বলা যায় না। আহা! এই ব্যক্তির কি উপায়?বলে তিনি কবরে হাত মুবারক রেখে দোয়া করলেন।

কিন্তু চেহারায় প্রশান্তি এলো না। তিনি বললেন, ‘দোয়া কবুল হচ্ছে না। কোন রহস্যময় কারণে। সাংঘাতিক বড় পাপ করেছে সে।হুজুর (সাঃ) এর উপর অস্থিরতা বেড়েই চললো। তিনি বললেন, ‘ আমার উম্মতের উপর এমন কঠিন শাস্তি হচ্ছে আর আমি বাড়ী গিয়ে ঘুমাবো? তিনি একজন সাথীকে ডেকে বললেন, ‘যাও, মদীনার বাজারে।

সেখানে আওয়াজ দিয়ে ডাকো যাদের আত্নীয়ের কবর এখানে রয়েছে। তারা এলো। তাদেরকে নিজ নিজ আত্নীয়ের কবরে দাঁড়াতে বললেন। সবাই দাড়াঁলো। কিন্তু আশ্চর্য্য! ওই কবরের পাশে কেউ দাড়াঁলো নাবেদনায় নীল হয়ে গেলেন হুজুর (সাঃ)। অনেক পরে এলো এক বুড়ি।

ধীর পায়ে। লাঠিতে ভর দিয়ে। তিনি দাড়াঁলেন সেই কবরের পাশে। হুজুরের পাক (সাঃ) স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। তারপর বৃদ্ধাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এটা কার কবর?‘আমার ছেলের।’ বৃদ্ধা বললেন। ‘আপনার ছেলের কবরে ভয়ানক শাস্তি হচ্ছে।’ ‘ইয়া রাসূলূল্লাহ! এটা কি সত্যি?’ ‘সত্যিই ‘। ‘শুনে আমি খুব খূশী হলাম।’ ‘আল্লাহ মাফ করুন! আপনি এ কি বলছেন মা ?’ সে আপনার সন্তান !’ শুনুন তাহলে, হে আল্লাহর রসূল! এই বাচ্চা যখন আমার পেটে তখন তার বাবা মারা যায়। সে পৃথিবীর মুখ দেখল।

তার কেউ ছিলো না। আমি নিদারুণ কষ্ট করে তাকে বড় করে তুললামতিল তিল করে। সে বিয়ে কর । স্ত্রীকে পেয়ে সে ভূলে গেল আমাকে। একদিন তার ভালোবাসার বউ কানে কানে কি যেন বলল। ছেলে রাগে অধীর হয়ে মারতে শুরু করল আমাকে। ক্ষত বিক্ষত হয়ে গেলাম আমি। জ্ঞান হারালামহুশ ফিরলে আমি প্রার্থনা করলাম, প্রভুর দরবারে। দু’হাত তুলে। বললাম, ‘হে আল্লাহ! তাকে কবরে শাস্তি দাও। অনন্ত কাল ধরে। দুনিয়াতে দিওনা। চোখের সামনে ছেলের কষ্ট সহ্য করতে পারব না। ‘‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি এখন এজন্য খুশী যে আমার দোয়া কবূল হয়েছে। ‘
হুজুর (সাঃ) অত্যাচারিতা সরল প্রাণ এই বৃদ্ধার কথা শুনে চোখের পানি চেপে রাখতে পারলেন না। উনার মুক্তার মতো অশ্রু, গাল বেয়ে ফোটায় ফোটায় পড়তে লাগল। খানিকপর নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, ‘হে বৃদ্ধা মা ! তুমি তোমার ছেলেকে ক্ষমা করো। সে ভয়াবহ শাস্তি পাচ্ছে। ‘
বৃদ্ধা বললেন, ‘হে রাসূলূল্লাহ! অন্য কিছু বলুন। ছেলেকে ক্ষমা করব না আমি।’ নিরুপায় হয়ে হুজুর (সাঃ) আকাশের দিকে মুখ তুললেন।

কাতর স্বরে বললেন, ‘হে আল্লাহ! এই বৃদ্ধাকে কবরের শাস্তি দেখাও।’ চোখের পলকে ঘটনা ঘটল।বৃদ্ধার চোখ বিস্ফোরিত হলো। সে প্রাণ ফাটা চিৎকার করে বেহুশ হয়ে গেল। খানিক পর, জ্ঞান ফিরল বৃদ্ধার। থর থর করে কাপছেন তিনি। তীর খাওয়া কবুতরের মত।

তিনি বললেন, ‘ও খোদা! কবরের আযাব কি এমন ভীষণ! এমন ভয়ানক! ছেলের পুরো শরীর থেকে চামড়া উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। তাকে মুগুর পেটা করা হচ্ছে। হে আল্লাহর রাসূ ! আমি তাকে ক্ষমা করলাম। আপনি দোয়া করুন। সে যেন মুক্তি পায়। ‘হুজুর (সাঃ) হাত উঠালেন। দোয়া শেষ। উনার চেহারা উজ্জ্বল। প্রকৃতিতে, আকাশে বাতাসে নেমে এল সুমহান সমাহিত পরিবেশ। গভীর প্রশান্তি – দয়াল নবীর চেহারা মুবারকে। চারদিকে শান্তির ছায়া। আমীন।

সূত্র: অনলাইন।

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..