1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
অকৃতজ্ঞ একটি জনগুষ্ঠীর নাম রুহিঙ্গারা !!! - ডেইলি টেকনাফ
রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
সাবরাং নয়াপাড়া অমর একুশে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন নুর হোসেন বিএ সপরিবারে সেন্টমার্টিনে সফরে পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ কক্সবাজারে ৫৩৫ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন মাদক ধ্বংস করছে বিজিবি ঈদগাঁও থানা উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের পরিচিতি ও জরুরি সভা অনুষ্ঠিত শক্তিশালী রামুকে হারিয়ে ইতিহাসের প্রথমবার ফাইনালে টেকনাফ টেকনাফ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে মোঃ আলমগীরকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবরাং ইউ,পি ছাত্রলীগের সাঃসম্পাদক নজরুল ইসলামের খোলা চিঠি টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা,আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের প্রতিবাদ ও নিন্দা টেকনাফ উপজেলা আ.লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব এজাহার মিয়ার নববর্ষের শুভেচ্ছা

অকৃতজ্ঞ একটি জনগুষ্ঠীর নাম রুহিঙ্গারা !!!

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০১৯

মিজানুর রহমান মিজান,ডেইলি টেকনাফ ডটকমঃ বার্মায়া বলেন নয়ত রুহিঙ্গা জনগুষ্ঠি এরা সবসময় নির্যাতিত,তাদের নেই কোন নিজস্ব নাগরিকের সিকৃতি,শিক্ষা সংস্কৃতি ও জাতিগত স্বাধীনতা।পরগাছার মতোই তাদের জন্ম থেকেই জীবনধারা।পার্শবর্তী দেশ,ধর্মীয় অনুভূতি এসব মিলিয়ে দয়ালু বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশের মানুষগুলো সবসময় রুহিঙ্গাদের বিপদে আশ্রয় দিয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত রেখেছে।তারা এদেশে এসে বিভিন্ন উপায়ে বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে মধ্যে প্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গিয়ে তাদের সুন্দরী যুবতী মেয়ে বিয়ে দেয় ফলে সেসব দেশের নাগরীকত্ব সহ শক্ত অবস্থান তৈরী করতে সক্ষম হয় তারপর শুরু করে কতৃত্ব ও বিভিন্ন ভাবে বাঙ্গালী শ্রমীকদের উপর হয়রানী।উপকার কারীদের কৃতজ্ঞতার বদলে তারা পৃথিবীর শেষ্ঠ অকৃতজ্ঞ জাতীর পরিচয় দেয়।মায়ানমারের সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গাদেরকে শেষ করা জন্য গ্রামগুলিতে একটি বড় ধরণের অভিযান শুরু করে। প্রাথমিক অপারেশনে, ডজন ডজন মানুষ নিহত হয়। নির্বিচারে গ্রেফতার,বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গণধর্ষণ, বেসামরিক লোকদের বিরুদ্ধে নৃশংসতা এবং লুটপাট চালানো হয়।

২০১৭ নভেম্বরের শেষের দিকে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মুক্তি পাওয়া
স্যাটেলাইট ইমেজগুলি দেখিয়েছে যে নিরাপত্তা বাহিনীর দ্বারা প্রায় ১,২৫০টি রোহিঙ্গা ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মায়ানমারের সামরিক বাহিনী গ্রামবাসীদের গুলি করে হত্যা করার জন্য “অ্যাটাক হেলিকপ্টার” ব্যবহার করে।
যারা মায়ানমার থেকে পালিয়ে গেছে তাদের ভাষ্যমতে- নারীরা গণধর্ষণের শিকার হয়েছে, পুরুষদেরকে হত্যা করেছে, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে এবং শিশুদের জ্বলন্ত বাড়িঘরে নিক্ষেপ করা হয়েছে।
মায়ানমারের সামরিক বাহিনী প্রায়ই নাফ নদীতে রোহিঙ্গা শরণার্থী বহনকারী নৌযানকে গুলি করে হত্যা করে।শরণার্থীদের সাক্ষাত্কারের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যার মধ্যে উল্লেখ করা হয় যে গণধর্ষণ, গণহত্যা এবং শিশু-হত্যাসহ নৃশংসতা চালানো হয়েছে।সাক্ষাৎকারীদের প্রায় অর্ধেকেই বলেছে তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হয়েছে। নারীদের অর্ধেকই সাক্ষাত্কার দিয়েছে যে তারা ধর্ষিত হয়েছে বা তাদের যৌন হয়রানি করেছে।
রোহিঙ্গাদের অধিকারে থাকা বা তাদের দ্বারা ব্যবহৃত “আশ্রম, বিদ্যালয় , বাজার, দোকান এবং মসজিদ ” সেনাবাহিনী ও পুলিশের দ্বারা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।
সরকার সাধারণ জনগণের উপর আক্রমণ করে হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য করে।এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে এসেছে রোহিঙ্গারা। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা ১১ লাখ ছাড়িয়েছে। কক্সবাজারের পাহাড়গুলোতে গাদাগাদি করে বাস করে রোহিঙ্গা। পাহাড়ি বনভূমি উন্মুক্ত করে তৈরি করা হয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই আশ্রয় শিবির।
তাঁদের আশ্রয় দেয়ার পাশাপাশি নানান সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার৷
সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে দেশের সাধারণ মানুষ। রোহিঙ্গারা সেই সব কথা ভুলে গিয়ে লিপ্ত হচ্ছে খুন, ধর্ষণ, ইয়াবা কারবার, মানব পাচার, অপহরণ- এমন কোনো অপরাধ নেই যা তারা করছে না। কক্সবাজার জেলা পুলিশের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ১০ মাসে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী চক্রের হাতে ২৩টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এ সময়ে ক্যাম্প থেকে উদ্ধার হয়েছে ২৩টি অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ মাদক।
রোহিঙ্গারা এখন দেশের জন্য বিষফোঁড়া। তাদের কারণে এখন চরম বিপদে রয়েছে প্রায় ২ লাখ স্থানীয় মানুষ। দিন দিন রোহিঙ্গারা সহিংস হয়ে উঠছে। কথায় কথায় তারা স্থানীয় লোকজনের ওপর চড়াও হচ্ছে।
আমরা কক্সবাজারবাসীর অন্যতম উদ্যোক্তা সাংবাদিক ইমাম খাইর বলেন, আশ্রয় শিবিরে রোহিঙ্গাদের একটি সন্ত্রাসী চক্র অবৈধ অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়। এই অস্ত্র স্থানীয়দের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।এরই মধ্য টেকনাফে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি সহ স্থানিয়দের অস্ত্র টেকিয়ে টাকা মালামাল লুটের খবর পাওয়া যায়।পরিসংখ্যানে দেখা গেছে টেকনাফের স্থানিয়দের মধ্যে মাদকের পাচার,ব্যাবসা আগের তুলনায় অনেকাংশে কমে গেছে।সমাজের বেশীরভাগ মানুষের এখন মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান।টেকনাফ সাবরাং মাদক নির্মূল কমিটির সদস্য এবং ইউপি চেয়ারম্যান নীজেই পাচারকারীদেরকে পুলিশের হাতে তূলে দেয়।যারা শিক্ষিত সচেতন,মসজিদের ঈমাম,স্কুলের শিক্ষক,সাংবাদিক সহ সম্মলীতভাবে মাদক নির্মূলে সহযোগিতা করছেন বলেও বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়।কিন্তু মাদকের আড়ৎখানা,লেনদেন,পাচার এখন রুহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণে।গত কয়েকদিনে বন্ধুকযুদ্ধে যে কয়জন প্রাণ হারায় তারা অধিকাংশই রুহিঙ্গা।তাদের কারনেই এই এলাকায় মাদকের অভিষাপ শেষ হচ্ছেনা একথা অনেকেরই দাবী।

যতই দিন যাচ্ছে, রোহিঙ্গাদের আচার-আচরণে ততই পরিবর্তন আসছে। তারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে। তারা ভুলে গেছে তাদের অতীতের ইতিহাস। ভুলে গেছে যে মানুষগুলো পাশে দাঁড়িয়েছিল তাদের কথা।ক্ষধা ও তৃষ্ণার্ত হাহাকারে সিমান্তের আকাশ ভারী হয়েছে তখন ফেরেস্তার মত বুকে টেনে নিয়েছে তাদের কান্নায় নীজের বুক ভিজিয়েছে।আজ কোথায় সেই উপকারের কৃতজ্ঞতা।মানবিক মূল্যবোধহীন এ জাতী যেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অকৃতজ্ঞ রুহিঙ্গাছবিঃউখিয়ায় পুলিশের উপর রুহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের হামলা।

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..