1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
সাংবাদিকরাই প্রেম করার জন্য সেরা !! - ডেইলি টেকনাফ
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
টেকনাফে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কোমলমতী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ করেন: সাবেক এমপি বদি টেকনাফ পৌরসভার নিজস্ব ভবন নির্মাণ করা হবে সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ শাহ্পরীর দ্বীপে ভাসমান ড্রামসেতু নির্মাণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন নুর হোসেন চেয়ারম্যান টেকনাফ সাংবাদিক ফোরামের ঈদ পুণর্মিলনী ও সাধারন সভায় নতুন কমিটি গঠিত টেকনাফের আবুল কালাম মেম্বারের জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল টেকনাফে আবুল কালাম মেম্বারের মৃত্যুতে সাবেক এমপি বদি’র শোক কক্সবাজার জেলায় শ্রেষ্ট পদক পেলো ওসি সহ টেকনাফের ৩কর্মকর্তা বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতি টেকনাফ পৌর শাখর কমিটি অনুমোদন টেকনাফ পৌর এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষজনের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন মেয়র হাজ্বী মোহাম্মদ ইসলাম টেকনাফ উপজেলার ন‍্যাচার পার্ক সংলগ্ন খেলার মাঠ দখলমুক্ত করতে মানববন্ধন

সাংবাদিকরাই প্রেম করার জন্য সেরা !!

  • আপডেট টাইম সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯

(এই পেশার লোকদের পকেট নাকি সব সময়ই খালি)



অনলাইন ডেস্ক :: 

সাংবাদিকদের সঙ্গে নাকি প্রেম করা বেশ কঠিন। এই পেশার লোকদের পকেট নাকি সব সময়ই খালি। আর তারা নাকি সব সময়ই বড্ড বেশি কাজ নিয়েই মেতে থাকে। কথাগুলো নেহাত মিথ্যা নয়। কিন্তু তাই বলে তাদের সঙ্গে প্রেম করা কঠিন- এমন কথা পুরোটাই আজগুবি।

আসলে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেম করা বেশ লাভজনক। সাংবাদিকরা প্রেমিক বা প্রেমিকা হিসেবে অন্য যেকোনো পেশার পার্টনারের থেকে কয়েকশ মাইল এগিয়ে। জেনে নিন এর কারণ:

১. পেশার খাতিরে সাংবাদিকরা এমনিতেই চরকার মতো ঘুরতে থাকেন। তাই শহরের অলিগলিতে কোথায় কী আছে- সবই তাদের নখদর্পণে। আর এ কারণেই তাদের সঙ্গে প্রেম মানে জীবনে আনন্দের আর ফুর্তির প্রাচুর্য্য।

২. সাংবাদিকরা সচরাচর এতোটাই কম বেতন পান যে টাকা বিষয়ে তাদের মোহ ব্যাপারটা তৈরি হয় না। ভেবে দেখুন, টাকার প্রতি বিশেষ আকর্ষণ নেই এমন প্রেমিক বা প্রেমিকা কি সহজে মেলে?

৩. পেশার জন্য সাংবাদিকরা সর্বদাই ব্যস্ত। তাদের সঙ্গে প্রেম করলে আপনার ব্যক্তিগত সময়ের বিশেষ অভাব হবে না। কারণ আপনার নিজস্ব সময়ে নাক গলানোর সময়টাই যে তাদের বিশেষ নেই।

৪. সাংবাদিকরা অনেকটা কাঁঠালি কলার মতো। চাই বা না চাই কয়েক গুচ্ছ কাজ তাদের শিখে রাখতেই হয়, যাকে বলে ‘বাই ডি ফল্ট মাল্টিটাস্কিং’। এক সঙ্গে অনেক কাজ তাদের অভ্যাস হয়ে যায়। বাড়িতে এমন একজন মাল্টিটাস্কিং পার্টনার কে না চায় বলুন?

৫. সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলুন। দেখবেন, জানা থাকুক বা না থাকুক আলপিন থেকে আলাস্কা, সব কিছু নিয়েই তারা নাতি দীর্ঘ বক্তব্য দিতে পারেন। ফলে যখন কোনো কাজ থাকবে না, একঘেয়ে লাগবে। তাদের সঙ্গে আরামে বকবক করতে পারেন।

৬. খবর সন্ধানের তাগিদে এর, ওর, তার থেকে এতো এটা, ওটা, সেটা শুনতে হয়, সাংবাদিকরা আপসেই ভাল শ্রোতা হয়ে ওঠেন। প্রেমিক বা প্রেমিকা যদি ভাল শ্রোতা হল, তার থেকে ভাল আর কী-ই বা হতে পারে?

৭. পেশার খাতিরেই বিশ্বাসী হয়ে থাকেন সাংবাদিকরা। সংবাদের জন্য অনেক লোকজনের কাছে যেতে হয় তাদের। সংবাদ উৎসের পরিচয় গোপন রাখতে হয়। আর এ কারণেই বিশ্বাসী আর সহায়তাপ্রবণ হয় সাংবাদিকরা। জীবনে এমন একজন মানুষ কে না চায়?

৮. এমনিতেই তাদের এমন গাধার খাটুনি খাটতে হয়। সাংবাদিকরা ইচ্ছা-অনিচ্ছার উর্ধ্বে গিয়ে বাই ডি ফল্ট কঠোর পরিশ্রমী হয়ে ওঠেন। সঙ্গী বা সঙ্গিনী পরিশ্রমী হওয়া যে কারো পক্ষেই অত্যন্ত সুখকর।

৯. সাধারণত সাংবাদিকরা বেশ সৃজনশীল হন। নিজের পেশা ছাড়াও আরো অনেক কিছুতেই পারদর্শী হন। পার্টনার যদি সৃজনশীল হন, তা হলে গর্বে বুকের ছাতি ইঞ্চি খানেক বাড়ে বৈকি!

১০. সারাটা দিন এর ওর সঙ্গে খেজুরে ভদ্রতা করতে গিয়ে এমন হাসিটা দিতে হয়, সেই হাসিটাই সাংবাদিকদের কেমন অভ্যাস হয়ে যায়। হাসি খুশি প্রেমিক বা প্রেমিকা কে না চায়?

সুত্র:অমৃতবাজার/মিঠু

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..