1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
স্থানিয়দের সাথে রোহিঙ্গাদের সংঘাত:অতিরিক্ত বাহিনী নিয়োগ !! - ডেইলি টেকনাফ
বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ০১:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
রোহিঙ্গা শিবিরে দুই অস্ত্রধারী দলের গোলাগুলি, নিহত ১ সাবরাং নয়াপাড়া অমর একুশে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন নুর হোসেন বিএ সপরিবারে সেন্টমার্টিনে সফরে পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ কক্সবাজারে ৫৩৫ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন মাদক ধ্বংস করছে বিজিবি ঈদগাঁও থানা উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের পরিচিতি ও জরুরি সভা অনুষ্ঠিত শক্তিশালী রামুকে হারিয়ে ইতিহাসের প্রথমবার ফাইনালে টেকনাফ টেকনাফ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে মোঃ আলমগীরকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবরাং ইউ,পি ছাত্রলীগের সাঃসম্পাদক নজরুল ইসলামের খোলা চিঠি টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা,আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের প্রতিবাদ ও নিন্দা

স্থানিয়দের সাথে রোহিঙ্গাদের সংঘাত:অতিরিক্ত বাহিনী নিয়োগ !!

  • আপডেট টাইম রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৯

মিজানুর রহমান মিজান,ডেইলি টেকনাফ ::

বার্মা রাখাইন(মায়ানমার)থেকে পালিয়ে আসা বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের এদেশে ২বছর পার করল।সরকারের দেওয়া অনুদান ও স্থানিয়দের বন্ধু সূলভ ব্যবহার,অন্ন,বস্ত্র.বাসস্থান,শিক্ষা,চিকিৎসা সহ সব মিলিয়ে মোটামুটি এদেশে স্বাভাবিক জীবন যাপনে রয়েছে।কিন্তু শঙ্কার বিষয় হল -বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের সব চাহিদা পূরণ করে সকল সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসলেও রোহিঙ্গারা খাদ্য দ্রব্য ও বিভিন্ন পন্য শিবিরে দাঁয়িত্বে থাকা আইনশৃংখলা বাহিনীর লোকের অগোচরে ক্যাম্পের বাইরে নিয়ে বেচা বিক্রি শুরু করেছে।

এই রিপোর্ট তৈরী করবার পূর্বে উখিয়া-টেকনাফ সহ ছোট থেকে বড় সকল হাটে বাজারে রোহিঙ্গাদের দেয়া পন্যে সয়লাব।নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য যেমন-তেল,ডাল,সাবান,রসুন,পেয়াজ,চাউল থেকে শুরু করে সকল কিছু।খোজ নিয়ে জানা যায় এসব দ্রব্য /পন্য দোকানের অন্যান্য পন্যের চেয়ে দামে সস্তা,কেউ কেউ রাস্তার পাশে ফুটফাতে বসে গেছে আবার কেউ পুরাতন বার্মায়াদের সহযোগিতায় বাজারে পন্য সাজিয়ে বসে গেছে ব্যবসায়ীর মতকরে।গত কিছুদিন আগে টেকনাফ স্টেশনের এবি ব্যাংকের সামনে এবং সাবরাং নয়া পাড়া বাজারে রোহিঙ্গা ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞেস করলে উত্তরে বলে-“আঁরা বর্মার জিনিস বাদে অন্য দেশর জিনিস স্তেমাল ন গরি”

কেন জিজ্ঞেস করলে সে লোক বলে–আঁরা এদেশত থাইলেও আঁরার পরান বর্মাত ফরি থাইক্কে”আঁরা মাল সামানা জিন ফাই বাইরর মাইনষরে বেচি বর্মার সামান কিনিয়ারে এস্তেমাল গরিদে”

অনুসন্ধানে দেখা গেছে–বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যে সকল ঔষধ দেয়া হয় সেই ঔষধ রোহিঙ্গারা বাইরে বিক্রি করে।সুত্রে জানা গেছে রোহিঙ্গারা নাকি বলে এসব ওষুধ বিষ বা ক্ষতিকর পদার্থ দিয়ে তৈরী করা হয়েছে রোহিঙ্গাদের জন্য।সব মিলিয়ে স্থানিয়দের অভিমত পরিলক্ষিত হয়,রোহিঙ্গা জনগুষ্ঠি এদেশকে এদেশের মানুষকে সহজ বা আপন করে মেনে নিতে পারেনা বলে অধিকাংশ স্থানিয়দের ভাষ্য।ফলে স্থানিয়দের সাথে লেগে যায় বিভিন্ন কলহে।

মুছনী জাদিমুরা রোহিঙ্গা শিবিরের পার্শ্ববর্তি স্থানিয় বাসিন্দা বিদেশ ফেরত মোহাম্মদ সাব্বির বলি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন-আমাদের বসত ভিটাই কমপক্ষে ২০টি রোহিঙ্গা পরিবারকে থাকার স্থান দিয়েছি।তাদের বাচ্ছাদের লেখাপড়ার জন্য আমার বাড়ির আঙ্গিনায় স্কুল/মাদ্রাসা করে দিয়েছি।বাড়ির সামনে ফার্মেসী করে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি,সব সময় মানবীক দিক চিন্তা করে ভাল মন্দ খেয়াল রাখি।কিন্তু কয়েকদিন আগে সে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা দিন দুপূরে মেইন রোডে আলী হোসেনের দোকানের সামনে আমাকে গুলি করে,আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে আমি বেচে যাই সে ঘঠনা এলাকার সবাই জানে।প্রবাসী মোহাম্মদ সাব্বির বলি আরও অভিযোগ তূলে বলেন-এর পরদিন আমি টেকনাফ থানায় গিয়ে জিডি করি।তিনি আরও জানান-তার ছোট্ট ৪ বছরের মেয়ে হাসিনা,৭বছরের ছেলে শেখ বাইরে খেলতে পারেনা,আশ্রয় দেওয়া রোহিঙ্গা মহিলারা ধমকি দেয় পাহাড় থেকে তাদের বাহিনী আসবে সব শেষ করে দেবে। তবে শঙ্কার বিষয় হলো, স্থানীয়দের সাথে প্রায়ই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছেন রোহিঙ্গারা। যেমন গত ২০আগস্টে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী কতৃক খুন হল হ্নীলা ৯নং ওয়ার্ড বিষয়টি মাথায় রেখে বিশেষ বাহিনী নিয়োগ করতে যাচ্ছে সরকার।

বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার সহযোগীতায় প্রয়োজনীয় সবকিছুই পাচ্ছেন রোহিঙ্গারা। দুই বছর আগে আসা রোহিঙ্গাদের জীবন এখন অনেকটাই স্বাভাবিক গতিতে চলছে, নেই কোনো ঝুঁকিও।

তবে, শুরু থেকে এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার বিষয়ে সার্বিকভাবে সহজ ছিলো না সরকারের জন্য। একদিকে মানবিকতার পরিচয় দিতে হয়েছে। অপর দিকে স্থানীয়দের অধিকার ও রোহিঙ্গাদের সাথে তাদের নিয়মিত সংঘাত নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেগ পেতে হয়েছে।

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, স্থানীয়দের সাথে রোহিঙ্গাদের কোনো ধরনের সংঘাত সৃষ্টি না হয়, সেজন্য পুলিশ নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো। রোহিঙ্গা ইস্যুকে মাথায় রেখে ইতোমধ্যেই সরকার নতুনভাবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে।কক্সবাজারের ৩৪ ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে ১১ লাখের মতো রোহিঙ্গা। গত দুই বছরে নানা অপরাধের কারণে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে প্রায় ৫শর বেশি

আন্তুর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক সাহাব এনাম খান বলছেন, বাংলাদেশ যে উদ্যোগই নিক না কেন রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরা না ফেরার বিষয়টি নির্ভর করছে মিয়ানমার সরকারের ওপর। কারণ প্রতিবারই রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে জাতিসঙ্ঘের সাধারণ অধিবেশনে নিয়ে যাবার নাটক করে মিয়ানমার।

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..