1. engg.robel.seo@gmail.com : DAILY TEKNAF : DAILY TEKNAF
  2. bandhusheramizan@gmail.com : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  3. engg.robel@gmail.com : The Daily Teknaf News : Daily Teknaf
স্মৃতিতে ইতিহাস,শ্রদ্ধা,ভালবাসা কবি আল মাহমুদ। - ডেইলি টেকনাফ
শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে সাবেক এমপি বদি’র শোক! প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শোক কক্সবাজারে কাউন্সিলর কাজি মোরশেদ আহমদ বাবুর মৃত‍্যুতে নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শোক প্রকাশ ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না কক্সবাজারসহ টেকনাফের লবণ চাষীরা টেকনাফে সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত অমর একুশের ভাষা শহীদদের প্রতি নুর হোসেন চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রতি হিংসা নয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উঠে আসুক তৃণমূলের অবহেলিত নতুন নেতৃত্ব: শাওন আরমান টেকনাফে বিজিবির মালিকবিহীন ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফে সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন টেকনাফ পৌরসভায় মূলধন বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রস্তুতি কর্মশালা সভা অনুষ্ঠিত

স্মৃতিতে ইতিহাস,শ্রদ্ধা,ভালবাসা কবি আল মাহমুদ।

  • আপডেট টাইম সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

সম্পাদনাঃ
মিজানুর রহমান মিজান।

আম্মা বলেন, পড়রে সোনা
আব্বা বলেন, মন দে;
পাঠে আমার মন বসে না
কাঁঠালচাঁপার গন্ধে…

কেউ কি আর কখনো এমন করে লিখতে পারবে? কনক্রিটের মেঝেতে পড়া মার্বেলের টুং শব্দের মতন করে শব্দ তুলে দিতে পারবে শৈশবের বুকের ভেতর?

আমার কেবল ইচ্ছে জাগে
নদীর কাছে থাকতে,
বকুল ডালে লুকিয়ে থেকে
পাখির মতো ডাকতে।

একটা ঘুম ভাঙা ভোরের বুক চিরে হঠাৎ কি কেউ এমন করে রিনিরিনে গান হয়ে উঠতে পারবে?

সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে
কর্ণফুলীর কূলটায়,
দুধভরা ঐ চাঁদের বাটি
ফেরেস্তারা উল্টায়।

এমন করে কেউ চোখের ভেতর এঁকে দিতে পারবে আশ্চর্য কল্পনার ছবি!

তোমরা যখন শিখছো পড়া
মানুষ হওয়ার জন্য,
আমি না হয় পাখিই হবো,
পাখির মতো বন্য।

এমন বেপরোয়া স্বপ্নের কথা? কে বলবে আর?

কে করবে আর এমন সত্য উচ্চারণ-

আমার মায়ের সোনার নোলক হারিয়ে গেল শেষে
হেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি সারা বাংলাদেশে।
নদীর কাছে গিয়েছিলাম, আছে তোমার কাছে?
-হাত দিও না আমার শরীর ভরা বোয়াল মাছে।

এমন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ চোয়ালে কে করবেন আর এমন সাহসী উচ্চারণ?

এলিয়ে খোঁপা রাত্রি এলেন, ফের বাড়ালাম পা
আমার মায়ের গয়না ছাড়া ঘরকে যাবো না।

আল মাহমুদ, যতটুকু যা পড়েছি, তা কেবল রেখেছি নিজের অনুভব আর বোঝাবুঝি শাণিত করতেই, কাউকে বোঝাতে নয়। কিন্তু আজ যখন পানকৌড়ির রক্তের কথা মনে পড়ে, মনে পড়ে জলবেশ্যার কথা, কিংবা কাবিলের বোন। মনে পড়ে সোনালী কাবিন…

সোনার দিনার নেই, দেনমোহর চেয়ো না হরিনী
যদি নাও, দিতে পারি কাবিনবিহীন হাত দু’টি,
আত্মবিক্রয়ের স্বর্ণ কোনকালে সঞ্চয় করিনি
আহত বিক্ষত করে চারদিকে চতুর ভ্রুকুটি;
ভালোবাসা দাও যদি আমি দেব আমার চুম্ব্ন,
ছলনা জানিনা বলে আর কোন ব্যবসা শিখিনি;
দেহ দিলে দেহ পাবে, দেহের অধিক মূলধন
আমার তো নেই সখি, যেই পণ্যে অলঙ্কার কিনি ।
বিবসন হও যদি দেখতে পাবে আমাকে সরল
পৌরুষ আবৃত করে জলপাইর পাতাও থাকবে না;
তুমি যদি খাও তবে আমাকেও দিও সেই ফল
জ্ঞানে ও অজ্ঞানে দোঁহে পরস্পর হব চিরচেনা
পরাজিত নই নারী, পরাজিত হয়না কবিরা;
দারুণ আহত বটে আর্ত আজ শিরা-উপশিরা ।

আল মাহমুদ, এই অনুভবটুকু আছে, ছিলো, থাকবে… আপনি রয়ে গেছেন, রয়ে যাবেন সবচেয়ে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র হয়েই। যত অবহেলা আর উপেক্ষা আপনাকে আড়াল করতে চেয়েছে, তারচেয়ে অধিক আলো ছড়িয়ে আপনি ঘোষণা করে গেছেন আপনশক্তি। ইতিহাস আপনার। আপনারই। কিংবা বাংলা সাহিত্যে আপনি নিজেই এক ইতিহাস।

ভালোবাসা, শ্রদ্ধা।

মূল লেখক — সাদাত হোসাইন
ঔপন্যাসিক

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..